অধিকাংশ পিতামাতাই আশা করেন যে তাদের সন্তানেরা কম্পিউটারে গেমস খেলায় কম সময় ব্যয় করবে এবং হোম ওয়ার্ক, খেলাধূলা অথবা পরিবারের বিভিন্ন কাজে মনোযোগ বেশি করে দেবে। কিন্তু সন্তানেরা অনেক সময়ই এ ব্যাপারে বাবা-মা’র আশা পূরণ করতে পারে না। যাই হোক, এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছেন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর। তিনি একটি যৌথ সমাধান প্রদান করেছেন যেখানে ভিডিও গেমের মধ্যে শিক্ষাকে একত্রিত করেছেন যা ক্লাস রুমে স্থান পেয়েছে। এই প্রফেসর সাহেবের নাম ডুজ থমাস। যিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার এনেনবার্গ স্কুলের কমিউনিকেশনের প্রফেসর। তিনি এমন একটি গেমস শিক্ষার্থীদের জন্য ডেভেলপ করেছেন যা ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের নিত্যনতুন আইডিয়া এবং স্কিল ডেভেলপ করতে সহায়তা করবে। তবে এ বিষয়গুলো সাধারণ টেক্সট বইগুলোতে খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে প্রফেসর থমাস দাবী করেছেন। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, এই গেমসটিতে পরীক্ষামূলক বিভিন্ন বিষয় রয়েছে যাতে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাস্তব অনেক বিষয়ে শিক্ষা অর্জন করা সম্ভব। বই এর মাধ্যমে যা অর্জন করা করা কষ্টকর। এই গেমসটির নাম ‘মডার্ন প্রমিথিউস’। এখানে ফ্রাংকেন্সটাইন এর গল্প ব্যবহার করা হয়েছে পটভূমি হিসেবে। যাতে তাংক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের শিক্ষা পাওয়া যাবে। প্লেয়ারকে ড. ফ্রাংকেন্সটাইনের সহযোগী হিসেবে এখানে কাজ করতে হবে এবং বিভিন্ন কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে যা গেমসটির ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। থমাস বলেন, জটিল বিষয়গুলো কাহিনীতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। যেখানে ডাক্তারের সহযোগীকে শহরের বাসিন্দাদের জন্য হুমকিস্বরূপ বিভিন্ন বিষয় খুঁজে বের করতে হবে। মাথা খাটিয়ে তাংক্ষণিকভাবে নেয়া সঠিক সিদ্ধান্ত সমূহ শহরবাসীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে। এই কাজটি করতে গিয়ে প্লেয়ারকে ভাবতে হবে এই কাজটি করা আমার জন্য কি ভাল হবে? অথবা অন্যদের জন্য? গেমসটি খেলার জন্য কোন সঠিক পন্থা বা ভুল পন্থা নির্দিষ্ট করে দেয়া নেই। নিজের আত্মবিশ্বাস ও বুদ্ধির উপরই সম্পূর্ণ নির্ভর করতে হবে। এককভাবে শিক্ষার্থীরা এই গেমসটি ঘন্টাব্যাপী খেলতে পারবে এবং তাদের সিদ্ধান্ত সমূহ নিয়ে সহপাঠী বা শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করতে পারবে। এই গেমসটি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ক্লাসরূমে এই শীতে ব্যবহৃত হবে।
তথ্যসূত্র:দৈনিক ইত্তেফাক
বিশ্বের অন্যতম বড় একটি হার্ডডিস্ক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এমন ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে হার্ডডিস্কটির ক্রেতারা সেখানে সংরক্ষিত ফাইল অনলাইনে আদান-প্রদান করতে পারবে না। হার্ডডিস্ক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল জানিয়েছে, সফটওয়্যার চুরি (পাইরেসি) ঠেকাতেই তারা গান ও শব্দের (অডিও) ফাইল আদান-প্রদান করার ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে। ফাইলগুলো কপিরাইট আইনে সংরক্ষিত না থাকলেও বা তা ব্যবহারকারীর নিজের তৈরি হলেও হার্ডডিস্কে রাখা এ ধরণের কোনো ফাইলই আদান-প্রদান করা যাবে না। তবে সমালোচকেরা বলছেন, এর মাধ্যমে সফটওয়্যার চুরির বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে গ্রাহকদের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। ডিজিটাল দুনিয়ায় ই-বুক, সংগীত, টিভি অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র পর্যন্ত সব ধরনের ফাইল বিশ্বজুড়ে আদান-প্রদান করা হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে কপিরাইট আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এসব উপাদানের নির্মাতারা। কপিরাইট আইন বাস্তবায়নের জন্য এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় পন্থা হচ্ছে ডিজিটাল অধিকার ব্যবস্থাপনা (ডিআরএম)। এ ব্যবস্থাপনায় সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের সাহায্যে গান, অডিও বা ভিডিও ফাইলগুলোর নিয়ন্ত্রিণ নিশ্চিত করা হবে। ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ব্যবহারকারীদের ৩০টির বেশি ভিন্ন ভিন্ন ফাইল আদান-প্রদানে বাধা দেবে। অবশ্য এর জন্য ওই কোম্পানির সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। ডিআরএম যুক্ত উপাদানের সবচেয়ে বড় সমস্যা যে এগুলো ভিন্ন কোনো মাধ্যম সমর্থন করে না। যেমন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন মিউজিক স্টোর আইটিউনস থেকে কেনা ও সংগ্রহ করা সংগীত কেবল আইপড বা অ্যাপলের নিজস্ব যান্ত্রিক ব্যবস্থায় চলে। ডিআরএমবিরোধী জোট ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের পিটার ব্রাউন বলেন, ‘ওয়েস্টার্ন ডিজিটালের মতো প্রতিষ্ঠান আমাদের কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। সমাজের জন্য ডিআরএম ক্ষতিকর। কারণ এটি পর্যবেক্ষণ করে আমরা কী করছি এবং আমরা আমাদের ডিজিটাল জীবন কীভাবে কাটাচ্ছি। এটা আমাদের নাগরিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এভাবে কপি করা কখনোই বন্ধ করা যাবে না।’
তথ্যসূত্র:দৈনিক প্রথম আলো
অনলাইন এবং অফলাইন কার্যক্রমের তথ্য সাধারণভাবে মার্কেটিং সিদ্ধান্ত সমূহের উপর নির্ভর করে আলাদা করা হয়ে থাকে। মার্কেটিং ডাটা প্রোভাইডার এক্সিওম কর্পোরেশন ইন্টারনেটে ভোক্তাদের প্রোফাইল সমূহ রাখছে তাদের এবং অন্যান্য ডাটা প্রোভাইডারদের জন্য। যা কোম্পানিগুলো এবং টেলিমার্কেটারদের জন্য সরাসরি মেইল হিসেবে পরিচিত। তাদের প্রয়োজন ক্রেডিট কার্ড প্রমোশন এবং অন্যান্য অফার সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানা। তবে প্রাইভেসি এডভোকেটগণ নোটিশ উচ্চারণ করেছেন এ ব্যাপারে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি এবং টেকনোলজি বিষয়ক সহকারী পরিচালক অঁরি সেকাহার্টজ বলেছেন, এটা গড়পড়তা ইউজারদের আশাবাদকে ব্যাহত করবে। এ ব্যাপারে এটা একটি সমুদ্র পরিবর্তন করার মতই বিষয় ইউজারদের জন্য, অনলাইন ইনফরমেশন ব্যবহার করা। জনপ্রিয় অনলাইন সার্ভিস ফেসবুক সম্প্রতি এ ব্যাপারে শিক্ষা পেয়েছে যে, এখানে আরো অধিক বিষয় টার্গেট করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ইউজারগণ আপত্তি জানান যখন কোম্পানি একটি মার্কেটিং প্রোগ্রাম লঞ্চ করে এবং তা কোম্পানির টার্গেট ম্যাসেজ ঠিক করে যে ইউজারদের বন্ধু-বান্ধব কারা এবং অনলাইনে তারা কি করছে। ফেসবুকের এখানে অভিজ্ঞতা দুই ধরনের। এক. এ ব্যাপারটি নিশ্চিত করা যাতে ইউজারদের ডাটা শেয়ারিং এ কোন প্রতিবন্ধকতা না থাকে। দুই. এরপর এক সপ্তাহ পরে সম্পূর্ণভাবে ব্যাপারটি বন্ধ করে দেয়া। এক্সিওমে’র প্রোগ্রামটি নিয়ে যদিও এ ধরনের কোন ঘটনা এখনো ঘটেনি। কোম্পানিটি তাদের কাস্টমার কোম্পানিদের অ্যাডস বিক্রি করা বন্ধ করতে অথবা অন্য কোন পদ্ধতিতে এর সাথে পার্টনার হওয়ার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অন্যান্য ডাটা প্রোভাইডারদের মত এক্সিওমের রয়েছে ফোন বুকস, ভোটার লিস্ট, সম্পদের হিসাবের রেকর্ড, ওয়ারেন্টি কার্ড সমূহ এবং অনান্য ডাটা প্রোফাইল এবং ক্যাটাগরি। যুক্তরাষ্ট্রে অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রায় ৭০টি ক্যাটাগরী রয়েছে। এই অক্টোবরে এক্সিওম রিল্যাভেন্স- এক্স নামে একটি নতুন অনলাইন প্রোগ্রাম লঞ্চ করেছে। যাতে লাইফ স্টেজ নামক টার্গেট অ্যাডভারটাইজিং ক্যাটাগরী যুক্ত হয়েছে। তাই কাস্টমাররা যখন অনলাইন রিটেইলারে নাম এবং ঠিকানা প্রদান করে, জরিপ কার্যক্রম অথবা অন্যান্য ওয়েব সাইট পার্টনার যারা এক্সিওমের সাথে যুক্ত তখন কোম্পানিটি অফলাইন রেকর্ডের বিপরীতে এটা মিলিয়ে দেখবে।
তথ্যসূত্র:দৈনিক ইত্তেফাক
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে তৃতীয় বিশ্ব জ্ঞান সম্মেলন (জিকে থ্রি)। গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ (জিকেপি) আয়োজিত এই জ্ঞান সম্মেলনে সারা বিশ্বের ‘উন্নয়নের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি’ ধারণায় অঙ্গীকারবদ্ধ সাড়ে তিন হাজার বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের ব্যক্তি অংশ নেন। বিকেলের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন জিকেপির সভাপতি ওয়াল্টার ফুস্ট। তিনি বলেন, নতুন এক আলোকিত পৃথিবী গড়তে তথ্যপ্রযুক্তির ভুমিকাকে আজ অনিবার্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। গত এক দশকে এটি জিকেপির একটি বড় সাফল্য। যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সীমাবদ্ধতা থেকে আজ মানুষ একে ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করতে সমর্থ হচ্ছে। বেসরকারি উদ্যোগগুলো এই নির্মাণে বড় ভুমিকা রাখছে। অনুষ্ঠানে তরুণদের জন্য আয়োজিত ‘আইডিয়া ফ্যাক্টরি’তে নানারকম কাজের নমুনা দেখানো হয়। সকালে অনুষ্ঠিত কর্ম-অধিবেশনের সেমিনারগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল ই-কৃষি বিষয়ে সেমিনার। এ ছাড়া পল্লী উন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক একটি সেমিনার বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। বিশ্ব জ্ঞান সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বুধবার অন্যান্য সেমিনারের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশের আমাদের গ্রাম প্রকল্প আয়োজিত ‘উন্নয়নের জন্য জ্ঞান’ শীর্ষক উপস্থাপনামূলক সেমিনার। সুইস আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এসডিসির সহায়তায় আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ড. মিজানুর রহমান শেলী। এটি পরিচালনা করেন ইন্টারন্যাশনাল সিভিল সোসাইটি সংস্থা ফর প্রগ্রেসিভ কমিউনিকেশনের নির্বাহী পরিচালক অ্যানরিয়েট এস্তোরিয়াসম। উন্নয়নের জন্য গ্রাম বিষয়ে মূল উপস্থাপনা করেন আমাদের গ্রামের পরিচালক রেজা সেলিম। এই সেমিনারে আমাদের গ্রাম পরিচালিত বাগেরহাটের রামপাল এলাকার পরিসংখ্যানভিত্তিক তথ্যভান্ডারের মাধ্যমে গ্রামের চাহিদা বের করার মৌলিক গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি এই তথ্যভান্ডার কীভাবে যুবসমাজের জ্ঞান আহরণে সহায়তা করছে তাও তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশী এনজিও ডিনেটের কর্মসুচি পরিচালক মাহমুদ হাসান জেন্ডার মূল্যায়নবিষয়ক একটি সেমিনারে আলোচক হিসেবে অংশ নেন। জ্ঞান সম্মেলনকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক ইলেকট্রনিক মিডিয়া ফোরামের সেমিনার, উন্নয়নের জন্য তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক একটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র:দৈনিক প্রথম আলো
ইন্টারনেট প্রোভাইডারদের আচরণে অব্যাহতভাবে দুঃশ্চিন্তা যুক্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান একটি ওয়েব ইন্টারফেস সফটওয়্যার রিলিজ করেছে। যা অনলাইনে নিরপরাধ ব্যবহারকারী বা অবাঞ্চিত ট্রাকিক টেম্পারিং দূর করবে। সানফ্রান্সিসকো ভিত্তিক ডিজিটাল রাইটস গ্রুপ ইলেক্ট্রনিক্স ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশন এই প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারটি রিলিজ করেছে। এটা উম্মোচন করেছে ডাটা ডিসক্রিমিনেশন। যার কারণে ইন্টারনেট প্রোভাইডাররা তাদের সার্ভিসেও কিছুটা নতুনত্ব খুঁজে পাবেন। ইএফএফ এর একজন স্টাফ প্রযুক্তিবিদ সেথ স্কোয়েন এ ব্যাপারে বলেন, জনগণের এ ব্যাপারে সমস্যার একটি লম্বা তালিকা রয়েছে। কিন্তু তারা জানে না ঠিক কোথায় মিস-কনফিগারেশনগুলো ঠিক করার জন্য এট্রিবিউটগুলো যুক্ত করতে হবে অথবা আইএসপি’র মাধ্যমে আচরণ ডেলিবারেট করতে হবে। এই নতুন সফটওয়্যার ডাটা প্যাকেটের লিস্টসমূহ পরস্পর তুলনা করতে পারবে যা ২টি কম্পিউটারের মধ্যে আদান প্রদান করা হবে। সবচেয়ে বড় কথা এটা কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ করছে আর কোনটি গ্রহণ করছে তা লক্ষ্য রাখতে পারবে। এর আগে যে ব্যাপারটি ম্যানুয়ালি করা হতো। স্কোয়েন সফটওয়্যারটিকে একটি স্পেলিং চেকারের সাথে তুলনা করেন। তিনি বলেন, যদি আপনি কি করছেন সে সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারনাও না থাকে তবে এটা নিঃসন্দেহে আপনার কয়েক ডজন ঘন্টা সেভ করতে পারবে। জনগণ ইএফএফ এর সাথে যোগাযোগ করছে তাদের সমস্যা নিয়ে। তারা বলছে তাদের ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে তাদের অনলাইন কার্যক্রম বিঘিœত হচ্ছে। ইএফএফ এর প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য হচ্ছে, আইএসপি’র সামগ্রিক কার্যক্রমে ভোক্তাদের অংশগ্রহণে আরো সাহায্য করা। বার্তা সংস্থা এপি’র সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ইন্টারনেট প্রোভাইডার কমকাস্ট কর্পোরেশন তাদের হাইস্পিড সার্ভিসে অনলাইন ফাইল শেয়ারিং এ কিছু সাবস্ক্রাইবারের উদ্যোগ যুক্ত করেছে। এক্ষেত্রে ইএফএফ তাদের নিজস্ব পরীক্ষা চালাচ্ছে। এখানে দেখা গেছে পিসি কমকাস্ট থেকে সেই মেসেজ দেখতে পাচ্ছে যা ইউজারদের থেকে ইনভিজিবল এবং একে যোগাযোগ বন্ধ করতে বলছে। যা ডাউনলোড বা আপলোড ক্যানসেল করতে পারবে।
তথ্যসূত্র:দৈনিক প্রথমআলো
চলতি বছরে আন্তর্জাতিক একটি প্রযুক্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের দুই প্রতিষ্ঠান−সেলবাজার ও গ্রামীণ শক্তি। পৃথিবী জুড়েই এখন প্রযুক্তির জয়জয়কার। যাঁরা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন, তাঁদের সম্মান জানাতেই যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির টেক মিউজিয়াম প্রতিবছর আন্তর্জাতিক পুরস্কার দিয়ে থাকে। এটি ‘টেক মিউজিয়াম অ্যাওয়ার্ড’ নামে পরিচিত। পৃথিবীতে যেসব প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভুমিকা রাখে, সেসব প্রযুক্তিকে উংসাহ দেওয়াই এ পুরস্কারের মূল উদ্দেশ্য। প্রতিবছর পাঁচটি বিভাগে মোট ২৫টি পুরস্কার দেওয়া হয়। এই পাঁচটি বিভাগ হচ্ছে শিক্ষা, সমতা (ইকুয়ালিটি), পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। প্রতিবছর প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দেওয়া হয় এবং আবেদন করতেও বলা হয়। বিচারকদের একটি আন্তর্জাতিক প্যানেল বিভিন্ন প্রায়োগিক প্রযুক্তি বাছাই করে দেখে। এরপরই সেরা ২৫ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরস্কারটা পায়। প্রতিটি বিভাগ থেকে পাঁচ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রত্যেক বিজয়ীকে ৫০ হাজার ডলার করে দেওয়া হয়। বিজয়ীদের বার্ষিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কার দেওয়া হয় এবং টেক লরেটস ভেনচার নেটওয়ার্কে (টিএলভিএন) যুক্ত করা হয়। টিএলভিএনের মাধ্যমে বিজয়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাদের কাজের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। এ পুরস্কার ২০০০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দেওয়া হচ্ছে। পৃথিবীর শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক সংস্থা এ পুরস্কারের পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। এসবের উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অ্যাপ্লায়েড ম্যাটেরিয়াল, জাতিসংঘ উন্নয়ন তহবিল. বিশ্বব্যাংক ইনস্টিটিউশন, মাইক্রোসফট করপোরেশন, ইন্টেল করপোরেশন, অ্যাকসেনচার ইত্যাদি। পৃষ্ঠপোষকদের নামেও বিভিন্ন পুরস্কার রয়েছে। যেমন, ইন্টেল এনভায়রনমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, অ্যাকসেনচার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট আওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এডুকেশন অ্যাওয়ার্ড, সোয়ান সন ফাউন্ডেশন হেলথ অ্যাওয়ার্ড এবং সানডিস্ক ইকুইলিটি অ্যাওয়ার্ড।
সম্মানজনক এই পুরস্কারের তালিকায় বাংলাদেশের নাম দেখা গেছে দুইবার।টেক মিউজিয়াম পুরস্কার পেয়েছে সেলবাজার ও গ্রামীণ শক্তি।
সেলবাজার
উন্নয়নশীল দেশগুলোয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান বাধা যোগাযোগ ব্যবস্থা। গ্রামাঞ্চলে যেসব জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন, সেখানে কৃষক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে অনেক সস্তায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়। ফলে দরিদ্র কৃষক দরিদ্রই থেকে যায় এবং পাইকারি বিক্রেতা বা মধ্যস্বত্বভোগীরা এসব পণ্য শহরে বেশি দামে বিক্রি করে। এ সমস্যার সমাধানের চিন্তা করেছেন বাংলাদেশি তরুণ কামাল কাদীর। সেলবাজার মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটভিত্তিক একটি ভার্চুয়াল বাজারব্যবস্থা। এ বাজারে একটি সাধারণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যে কেউ কোনো কিছু কিনতে বা বেচতে পারে। গ্রামীণফোনের গ্রাহকেরা একটি সাধারণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস করে দেশের যেকোনো স্থান থেকে পণ্যের খোঁজ নিতে পারবে, আবার অন্যকে জানানোও যাবে। ফোনের মাধ্যমেই পণ্য, পণ্যের দাম এবং মান সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। এতে বাংলা ভাষায় প্রথম আলোর শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনও পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) পড়ার সময় একটি শ্রেণী প্রকল্প করতে গিয়ে কামাল কাদীর প্রথম সেলবাজারে ধারণা পান বলেজানান। বর্তমানে দেশে সেলবাজার অত্যন্ত জনপ্রিয়। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। সেলবাজার দল প্রতিদিনই চেষ্টা করে যাচ্ছে কীভাবে এটি সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায়। এখন এসএমএস ছাড়াও ওয়াপ এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেলবাজার ব্যবহার করা যায়। এর ঠিকানা: cellbazaar.com
গ্রামীণ শক্তি
উন্নয়নশীল দেশের গ্রামাঞ্চলে যেখানে বিদ্যুৎ বা গ্যাস সংযোগ নেই, সেসব স্থানের মানুষকে কেরোসিন বা অন্যান্য জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হয়। এসব জ্বালানি ব্যবহারের খরচ অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব নয় এবং ক্যান্সারের মতো রোগ সৃষ্টি করে। গ্রামীণ শক্তি এ সমস্যা সমাধানে সৌরশক্তিনির্ভর ‘সোলার হোম সিস্টেম’ চালু করেছে। এর মাধ্যমে সহজে বায়োগ্যাস তৈরির পদ্ধতি, উন্নতমানের স্টোভ ব্যবহারের পদ্ধতি গ্রামের নারীদের শেখানো হয় এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীরা সোলার হোম কিনতে পারে। সোলার হোম সিস্টেম বসিয়ে এবং মেরামত করে গ্রামীণ অনেক মহিলা এখন স্বাবলম্বী। এ ছাড়া সৌরশক্তির সাহায্যে তারা মুঠোফোন এবং রেডিওর মাধ্যমে যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করছে।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথমআলো
ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার কারণে মাইক্রোচিপের দাম কমেছে। যার কারণে লাভবান হচ্ছেন ক্রেতারা। জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এডভান্স মাইক্রো ডিভাইস (এএমডি) এর প্রধান নির্বাহী অফিসার হেক্টর রুইজ। কোম্পানিটির তৃতীয় সিলিকন ডিজাইন এবং রিসার্চ ফ্যাসিলিটি ভারতে উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমাদের জন্য দুঃসংবাদ ব্যবসায়িক কৌশল কতদিন পর্যন্ত ধরে রাখতে পারব এবং টাকা কামাতে পারব তার অনিশ্চয়তা। এই ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিযোগিতা করা খুবই কঠিন। আমি দেখেছি মূল্য এখানে কিছুই নয় কিন্তু এখানকার সবকিছুই খুব প্রতিযোগিতামূলক। পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম এই চিপ নির্মাতা কোম্পানি তাদের বৃহত প্রতিদ্বন্দ্বি ইন্টেলের সাথে মার্কেট শেয়ার নিয়ে অবিরত সংগ্রাম করে যাচ্ছে। যারা টানা চারটি কোয়ার্টারে ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। কোম্পানিটির সেপ্টেম্বর মাস শেষে ডেবিড ছিল ৫.০ বিলিয়ন ডলার। এই মাসে তারা ৮.১ শতাংশ স্টক বিক্রি করেছে আবুধাবি সরকারের কাছে একটি চুক্তির আওতায়। মূল্য পরিশোধের পর যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৬০৮ মিলিয়ন ডলার। রুইজ ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক এমএমডি’র সিইও মনোনীত হন ২০০২ সালে। তবে তিনি মনে করেন টেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আর্থিক অবকাঠামোর জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তিনি বলেন, আমরা এমন এক ইন্ডাস্ট্রিতে আছি যার রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু কৌশল ও প্রয়োগ। কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সতর্ক করে দিয়ে বলেছিল এই খাতে গতি হ্রাস ক্রমশই দৃশ্যমান হচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে তিনি উপরোক্ত কথাটি বলেন। তিনি এর সাথে আরো যুক্ত করেন, প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা গতি মন্থরতার কোন কিছু দেখছি না। বছরের ৩য় চারমাসে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনোমিতে যদিও ৩.৯ শতাংশ হারে গতি এসেছে তবুও ফেডারেল রিজার্ভ এবং একক অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন, শেষ ৪ মাসে ও ২০০৮ সালে সামগ্রিক অবস্থার গতি কমে আসতে পারে। ইন্ডিয়ার ইনফরমেশন-টেকনোলজি কোম্পানিগুলো এক্ষেত্রে ক্রমশই যুক্তরাষ্ট্রের সফটওয়্যার রপ্তানিকারকদের চাপে ফেলে দিচ্ছে। যারা গত বছর ৩১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে।
তথ্যসূত্র:দৈনিক ইত্তেফাক
মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ভিসতা থেকে একটি ‘অ্যান্টি পাইরেসি টুল’ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। উইন্ডোজ ভিসতার গ্রাহকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘কিল সুইচ’ নামে পরিচিত এ প্রোগ্রামটি ভিসতার অবৈধ কপি ব্যবহারকারীদের ভিসতার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করতে বাধা দিত। কিন্তু উইন্ডোজ ভিসতার অনেক বৈধ ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, এটি তাদের বৈধ কপিও অচল করে দিচ্ছে। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে মাইক্রোসফট প্রোগ্রামটি সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। মাইক্রোসফট জানায়, ‘অ্যান্টি পাইরেসি টুল’ সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে উইন্ডোজ ভিসতার সার্ভিস প্যাক ১ ছাড়ার পর।
যাঁরা উইন্ডোজ ভিসতাসহ নতুন কম্পিউটার কেনেন, তাঁদের অনলাইনে মাইক্রোসফটের কাছ থেকে তাদের কপিটি যে আসল, তা নিশ্চিত করতে হয়। উইন্ডোজ জেনুইন অ্যাডভানটেজ নামের একটি অনলাইন প্রোগ্রাম কপিটি আসল কি না, তা খতিয়ে দেখে। যদি মনে হয়, কপিটি নকল, তবে এ প্রোগ্রামটি ভিসতাকে অকার্যকর করে দিতে পারে। কিন্তু ভিসতার অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, তাঁদের বৈধভাবে কেনা ভিসতার কপিটিও নকল বলে মনে করছে টুলটি। মাইক্রোসফটের করপোরেট ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক সিভার্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এখন থেকে ভিসতার যেসব অবৈধ কপি শনাক্ত করা হবে, তাদের জানিয়ে দেওয়া হবে যে তাদের ভিসতা আসল নয়। তাদের বৈধভাবে ভিসতা ব্যবহারের কথা স্নরণ করিয়ে দেওয়া হবে। তাদের ভিসতার কোনো বৈশিষ্ট্য থেকে বঞ্চিত করা হবে না।’ মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ভিসতার পাইরেসি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ায় সুফল পাওয়া গেছে। উইন্ডোজ এক্সপির চেয়ে উইন্ডোজ ভিসতার নকল কম হয়েছে। সিভার্ট বলেন, টুলটি সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও মাইক্রোসফটের নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। উইন্ডোজ ভিসতার ক্রেতাদের এখনো তাদের কপিটির বৈধতার অনুমোদন নিতে হবে। বিভিন্ন সময়ে কপিটির বৈধতার প্রমাণ দিতে হবে। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, তারা গত বছর মাইক্রোসফটের পণ্য নকলকারী প্রায় এক হাজার ডিলারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে। অনলাইনের প্রায় ৫০ হাজার নকল সফটওয়্যার নিলামকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
বিমানের ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রোলস রয়েসের অভ্যন্তরীণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে হামলা চালিয়েছে চীনা হ্যাকাররা। দ্য টাইমস পত্রিকা গতকাল সোমবার এ কথা জানায়। অজ্ঞাতপরিচয় নিরাপত্তা সুত্রের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, চলতি বছরের গোড়ার দিকে কম্পিউটার হ্যাকাররা এই হামলা চালায়। এতে রোলস রয়েসের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়েছিল। তবে হ্যাকাররা প্রতিষ্ঠানটির স্পর্শকাতর ফাইলগুলো খুলতে পারেনি। টাইমস জানায়, অ্যাংলো-ডাচ জ্বালানি প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ডাচ তদন্ত করে দেখেছে, প্রবাসী একদল চীনা হ্যাকার এই হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে এই হ্যাকারদের ঘাঁটি অবস্থিত। হ্যাকাররা রোলস রয়েসের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থায় প্রবেশ করার চেষ্টা করে। তারা নেটওয়ার্কের খুব বেশি গভীরে প্রবেশ করতে না পারলেও এটা রোলস রয়েসের জন্য বড় ধরনের হুমকি। তবে রোলস রয়েস ও রয়্যাল ডাচ এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এর আগে রোলস রয়েসের কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিশেষভাবে তৈরি ট্রোজান হর্স ঘরানার ভাইরাস দিয়ে হামলা চালানো হয়। এই ট্রোজার্ন হর্স প্রোগ্রাম যে কাউকে যে অন্য কম্পিউটারে প্রবেশের অধিকার দেয়। টাইমস পত্রিকা জানায়, চীনা হ্যাকারদের এই দলটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে আক্রমণ চালিয়ে আসছে। এই হ্যাকাররা তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
সাম্প্রতিক মতামত