পরিবেশবান্ধব জ্বালানির পেছনে গুগল ঢালছে কোটি কোটি ডলার বাজারে লজিট্যাক ব্র্যান্ডের কী-বোর্ড ও মাউস
Dec 04

bcs-election.jpgবাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতিকে (বিসিএস) দেশব্যাপী বিস্তৃত করা, অভ্যন্তরীণ তথ্যপ্রযুক্তি বাজারকে আরও বড় করাসহ সাংগঠনিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেছেন, সংগঠনটির নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীরা। দেশের কম্পিউটার খাতের সবচেয়ে প্রভাবশালী এ সংগঠনের ২০০৮-০৯ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের প্রার্থী পরিচিতি সভায় গতকাল শনিবার প্রার্থীরা এমন অঙ্গীকার করেন। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৫ জন প্রার্থী তাঁদের পরিচিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। বিসিএসের গত দুটি নির্বাচনে প্রার্থীরা প্যানেলভুক্ত হয়ে নির্বাচন করলেও এবার কোনো প্যানেল নেই। তাই পরিচিতি সভায় ১৫ প্রার্থী আলাদাভাবে তিন মিনিট করে বক্তব্য দেন এবং প্রত্যেকের নিজস্ব পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পরিচিতি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান স্বদেশ রঞ্জন সাহা ও সদস্য আজহার এইচ চৌধুরী। বিসিএসকে ঘিরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা বলেন প্রার্থীরা। অনেকেই বিসিএসের আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে সুসংগঠিত করার কথা বলেন। এ সমিতির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথাও বলা হয়। সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে কথাবার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে পরিচালনা করা, নিয়মিত মুখপত্র প্রকাশ করা, বিসিএসের নিজস্ব ভবন নির্মাণ, দেশব্যাপী কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ানো, ব্যবসায়ীদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন, কম্পিউটার খাতে নিয়োজিত ব্যবসায়ীদের নিয়ে কম্পিউটার ব্যবসায়ী পর্যবেক্ষণ সেল গঠন, বিসিএসের দপ্তরকে আরও গতিশীল ও দক্ষ করে তোলা প্রার্থীদের বক্তব্যে প্রাধান্য পায়। বিসিএসের এ নির্বাচন ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এতে মোট সাতটি পদের জন্য ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন মোস্তাফা জব্বার, কাজী আশরাফুল আলম, মো. মনিরুল ইসলাম মনি, ইউসুফ আলী শামীম, এম মারুফ আলম, মো. শাহিদ উল-মনির, এ টি শফিক উদ্দিন আহমদ, মো. আশরাফুজ্জামান, মজহার ইমাম চৌধুরী পিনু, মতিউর রহমান বকুল, আহমেদ হাসান, আক্তারুজ্জামান, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. মঈনুল ইসলাম ও হাফিজ আকবর হোসেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো



লেখাটির সম্পর্কে মন্তব্য করুন

You must be logged in to post a comment.