অনলাইন এবং অফলাইন কার্যক্রমের তথ্য সাধারণভাবে মার্কেটিং সিদ্ধান্ত সমূহের উপর নির্ভর করে আলাদা করা হয়ে থাকে। মার্কেটিং ডাটা প্রোভাইডার এক্সিওম কর্পোরেশন ইন্টারনেটে ভোক্তাদের প্রোফাইল সমূহ রাখছে তাদের এবং অন্যান্য ডাটা প্রোভাইডারদের জন্য। যা কোম্পানিগুলো এবং টেলিমার্কেটারদের জন্য সরাসরি মেইল হিসেবে পরিচিত। তাদের প্রয়োজন ক্রেডিট কার্ড প্রমোশন এবং অন্যান্য অফার সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানা। তবে প্রাইভেসি এডভোকেটগণ নোটিশ উচ্চারণ করেছেন এ ব্যাপারে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি এবং টেকনোলজি বিষয়ক সহকারী পরিচালক অঁরি সেকাহার্টজ বলেছেন, এটা গড়পড়তা ইউজারদের আশাবাদকে ব্যাহত করবে। এ ব্যাপারে এটা একটি সমুদ্র পরিবর্তন করার মতই বিষয় ইউজারদের জন্য, অনলাইন ইনফরমেশন ব্যবহার করা। জনপ্রিয় অনলাইন সার্ভিস ফেসবুক সম্প্রতি এ ব্যাপারে শিক্ষা পেয়েছে যে, এখানে আরো অধিক বিষয় টার্গেট করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ইউজারগণ আপত্তি জানান যখন কোম্পানি একটি মার্কেটিং প্রোগ্রাম লঞ্চ করে এবং তা কোম্পানির টার্গেট ম্যাসেজ ঠিক করে যে ইউজারদের বন্ধু-বান্ধব কারা এবং অনলাইনে তারা কি করছে। ফেসবুকের এখানে অভিজ্ঞতা দুই ধরনের। এক. এ ব্যাপারটি নিশ্চিত করা যাতে ইউজারদের ডাটা শেয়ারিং এ কোন প্রতিবন্ধকতা না থাকে। দুই. এরপর এক সপ্তাহ পরে সম্পূর্ণভাবে ব্যাপারটি বন্ধ করে দেয়া। এক্সিওমে’র প্রোগ্রামটি নিয়ে যদিও এ ধরনের কোন ঘটনা এখনো ঘটেনি। কোম্পানিটি তাদের কাস্টমার কোম্পানিদের অ্যাডস বিক্রি করা বন্ধ করতে অথবা অন্য কোন পদ্ধতিতে এর সাথে পার্টনার হওয়ার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অন্যান্য ডাটা প্রোভাইডারদের মত এক্সিওমের রয়েছে ফোন বুকস, ভোটার লিস্ট, সম্পদের হিসাবের রেকর্ড, ওয়ারেন্টি কার্ড সমূহ এবং অনান্য ডাটা প্রোফাইল এবং ক্যাটাগরি। যুক্তরাষ্ট্রে অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রায় ৭০টি ক্যাটাগরী রয়েছে। এই অক্টোবরে এক্সিওম রিল্যাভেন্স- এক্স নামে একটি নতুন অনলাইন প্রোগ্রাম লঞ্চ করেছে। যাতে লাইফ স্টেজ নামক টার্গেট অ্যাডভারটাইজিং ক্যাটাগরী যুক্ত হয়েছে। তাই কাস্টমাররা যখন অনলাইন রিটেইলারে নাম এবং ঠিকানা প্রদান করে, জরিপ কার্যক্রম অথবা অন্যান্য ওয়েব সাইট পার্টনার যারা এক্সিওমের সাথে যুক্ত তখন কোম্পানিটি অফলাইন রেকর্ডের বিপরীতে এটা মিলিয়ে দেখবে।
তথ্যসূত্র:দৈনিক ইত্তেফাক
ইন্টারনেট প্রোভাইডারদের আচরণে অব্যাহতভাবে দুঃশ্চিন্তা যুক্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান একটি ওয়েব ইন্টারফেস সফটওয়্যার রিলিজ করেছে। যা অনলাইনে নিরপরাধ ব্যবহারকারী বা অবাঞ্চিত ট্রাকিক টেম্পারিং দূর করবে। সানফ্রান্সিসকো ভিত্তিক ডিজিটাল রাইটস গ্রুপ ইলেক্ট্রনিক্স ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশন এই প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারটি রিলিজ করেছে। এটা উম্মোচন করেছে ডাটা ডিসক্রিমিনেশন। যার কারণে ইন্টারনেট প্রোভাইডাররা তাদের সার্ভিসেও কিছুটা নতুনত্ব খুঁজে পাবেন। ইএফএফ এর একজন স্টাফ প্রযুক্তিবিদ সেথ স্কোয়েন এ ব্যাপারে বলেন, জনগণের এ ব্যাপারে সমস্যার একটি লম্বা তালিকা রয়েছে। কিন্তু তারা জানে না ঠিক কোথায় মিস-কনফিগারেশনগুলো ঠিক করার জন্য এট্রিবিউটগুলো যুক্ত করতে হবে অথবা আইএসপি’র মাধ্যমে আচরণ ডেলিবারেট করতে হবে। এই নতুন সফটওয়্যার ডাটা প্যাকেটের লিস্টসমূহ পরস্পর তুলনা করতে পারবে যা ২টি কম্পিউটারের মধ্যে আদান প্রদান করা হবে। সবচেয়ে বড় কথা এটা কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ করছে আর কোনটি গ্রহণ করছে তা লক্ষ্য রাখতে পারবে। এর আগে যে ব্যাপারটি ম্যানুয়ালি করা হতো। স্কোয়েন সফটওয়্যারটিকে একটি স্পেলিং চেকারের সাথে তুলনা করেন। তিনি বলেন, যদি আপনি কি করছেন সে সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারনাও না থাকে তবে এটা নিঃসন্দেহে আপনার কয়েক ডজন ঘন্টা সেভ করতে পারবে। জনগণ ইএফএফ এর সাথে যোগাযোগ করছে তাদের সমস্যা নিয়ে। তারা বলছে তাদের ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে তাদের অনলাইন কার্যক্রম বিঘিœত হচ্ছে। ইএফএফ এর প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য হচ্ছে, আইএসপি’র সামগ্রিক কার্যক্রমে ভোক্তাদের অংশগ্রহণে আরো সাহায্য করা। বার্তা সংস্থা এপি’র সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ইন্টারনেট প্রোভাইডার কমকাস্ট কর্পোরেশন তাদের হাইস্পিড সার্ভিসে অনলাইন ফাইল শেয়ারিং এ কিছু সাবস্ক্রাইবারের উদ্যোগ যুক্ত করেছে। এক্ষেত্রে ইএফএফ তাদের নিজস্ব পরীক্ষা চালাচ্ছে। এখানে দেখা গেছে পিসি কমকাস্ট থেকে সেই মেসেজ দেখতে পাচ্ছে যা ইউজারদের থেকে ইনভিজিবল এবং একে যোগাযোগ বন্ধ করতে বলছে। যা ডাউনলোড বা আপলোড ক্যানসেল করতে পারবে।
তথ্যসূত্র:দৈনিক প্রথমআলো
বিমানের ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রোলস রয়েসের অভ্যন্তরীণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে হামলা চালিয়েছে চীনা হ্যাকাররা। দ্য টাইমস পত্রিকা গতকাল সোমবার এ কথা জানায়। অজ্ঞাতপরিচয় নিরাপত্তা সুত্রের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, চলতি বছরের গোড়ার দিকে কম্পিউটার হ্যাকাররা এই হামলা চালায়। এতে রোলস রয়েসের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়েছিল। তবে হ্যাকাররা প্রতিষ্ঠানটির স্পর্শকাতর ফাইলগুলো খুলতে পারেনি। টাইমস জানায়, অ্যাংলো-ডাচ জ্বালানি প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ডাচ তদন্ত করে দেখেছে, প্রবাসী একদল চীনা হ্যাকার এই হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে এই হ্যাকারদের ঘাঁটি অবস্থিত। হ্যাকাররা রোলস রয়েসের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থায় প্রবেশ করার চেষ্টা করে। তারা নেটওয়ার্কের খুব বেশি গভীরে প্রবেশ করতে না পারলেও এটা রোলস রয়েসের জন্য বড় ধরনের হুমকি। তবে রোলস রয়েস ও রয়্যাল ডাচ এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এর আগে রোলস রয়েসের কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিশেষভাবে তৈরি ট্রোজান হর্স ঘরানার ভাইরাস দিয়ে হামলা চালানো হয়। এই ট্রোজার্ন হর্স প্রোগ্রাম যে কাউকে যে অন্য কম্পিউটারে প্রবেশের অধিকার দেয়। টাইমস পত্রিকা জানায়, চীনা হ্যাকারদের এই দলটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে আক্রমণ চালিয়ে আসছে। এই হ্যাকাররা তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
যুক্তরাজ্যের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে নয়জন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড-সেবার সঙ্গে যুক্ত। সরকারি এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস (ওএনএস) গত সেপ্টেম্বর মাসে এ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৮৮ দশমিক ৪ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক ডায়াল-আপ মডেম ছেড়ে ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে ইন্টারনেট-সেবা নিচ্ছে। গত জুন মাসের চেয়ে এই হার ২ শতাংশ বেশি। তবে গত ১২ মাসে ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এসব ব্রডব্যান্ড সংযোগের ৪৯ দশমিক ২ শতাংশ বেশ দ্রুতগতির সেবা পাচ্ছে। ২০০৩ সালের এপ্রিল মাসে ওএনএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ৮১ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক ডায়াল-আপ মডেমের মাধ্যমে অনলাইনে প্রবেশ করে এবং মাত্র ১৭ শতাংশ ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। মাত্র চার বছরেই ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের এই হার বৃদ্ধি সত্যিই বিস্নয়কর। ব্রডব্যান্ড সংযোগের দ্রুতগতিই এর প্রধান কারণ। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ব্রডব্যান্ডের বাজার এখন স্িথতিশীল। এ কারণে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোরও আর আগের সুদিন নেই।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
সোস্যাল নেটওয়ার্কি নিয়ে গুগল এবং ফেসবুকের প্রতিদ্ভন্দিতা নতুন কিছু নয় কিন্তু এবার সেই প্রতিদ্বন্দিতা ছাড়িয়ে পড়ছে সোস্যাল নেটওয়ার্কিং এর বাইরেও। ফেসবুক তাদের কর্মীসংখ্যা দ্বিগুন করছে আর ভালো প্রোগ্রামারদের জন্য গুগলের চাইতে ভালো জায়গা আর কি আছে। তাই ফেসবুক গুগল থেকে তাদের কর্মীদেরকে কেড়ে নিয়ে ফেসবুকে নিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে তাদের দলে যোগ দিয়েছেন ইউটিউবের সিইও গাইডিয়ন ইউ, ই-কমার্স প্রোডাক্ত হেড বেঞ্জামিন লিং এবং জি ড্রাইভের ডেভোলপার জাষ্টিন রোসেনস্টাইন সহ আরো অনেকে। সাবেক গুগলের এই কর্মজীবিরা তাদের নতুন চাকরির পিছনে কারন হিসেবে বলেছেন গুগলের চাইতে ফেসবুক অনেক বেশি ’হট’ জায়গা। তাই তারা এখানে কাজ করে বেশ মজা পাচ্ছেন। গত দুই মাস ধরে চলছে এইরকম জায়গা বদলের খেলা। সাবেক গুগলারদের মতে এখন থেকে প্রতি মাসেই নিয়মিত দুই তিনজন করে চাকুরিজীবি ফেসবুকে জয়েন করবে। আর তারা এটা নিশ্চিত করেছেন যে, অর্থ নয়, ফেসবুকের ’হটনেসই’ গুগল থেকে তাদের সেরা কমীদেরকে নিয়ে আসছে ফেসবুকে।
তথ্যসূত্র: টেকক্রাঞ্চ
মাতৃভাষায় নজিরে কম্পিউটারটি দেখতে অনেকেই ইচ্ছুক। মাইক্রোসফট করপোরশেন ইন্টারনেটে বাংলা ল্যাংগুয়জে প্যাক ছাড়লেও জেনুয়্যেনে উইন্ডোজের কারনে অনেকে ব্যবহার করতে পারনে নি। এমন একটি ওয়বে সাইট পাওয়া গেছে যেখানে আপনার উইন্ডোজ জেনুয়্যেন করা এবং বাংলা ল্যাংগুয়জে প্যাকটি ইনস্টল পদ্ধতি বিস্তারিত র্বননা করা হয়েছে। উল্লখ্যে সাইটটি র্বতমানে পরীক্ষামূলক সংস্করনে রয়েছে। ঠিকানা: http://bangla.efair21.com
গ্রাহকদের চাহিদার ভিত্তিতে খুব বেশিদিন আর ইন্টারনেট সেবা দেওয়া সম্ভব হবে না। ২০১০ সাল নাগাদ এ সংকট চরম আকার ধারণ করবে। নতুন এক গবেষণায় এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেমার্টেস রিসার্চ এ গবেষণা করে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, নেটওয়ার্কের গতি এত কম যে একটা সময় গ্রাহকদের আর ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে না। এই সংকট এড়াতে হলে ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের গতি বাড়াতে হবে। আর এতে খরচ পড়বে ১৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের ধীরগতির কারণে গ্রাহকেরা তাদের পুরোনো ডায়াল আপ পদ্ধতিতে ইন্টারনেটের সংযোগ নিতে আগ্রহী হতে পারে। কেননা, এখন অনলাইনে কেনাকাটা করতে বা ইউটিউব থেকে সর্বশেষ ভিডিওটি ডাউনলোড করতে অনেক সময় লাগে। প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, আর কোনো আমাজন, গুগল বা ইউটিউব গড়ে উঠবে না। গ্রাহকের চাহিদার অভাবে নয়, বরং নেটওয়ার্কের ধীরগতির কারণে। আরেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কমস্কোর জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৭৫ শতাংশ দিনে গড়ে ১৫৮ মিনিট অনলাইন ভিডিও দেখে। গত মে মাসে অনলাইনে ৮৩০ কোটি ভিডিও দেখেছে মার্কিনিরা। কিন্তু নেটওয়ার্কের ধীরগতির কারণে এই সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসছে।
তথসূত্র: দৈনক প্রথমআলো
সাবমেরিন কেব্ল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সাড়ে ছয় ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন বাংলাদেশ মাত্র নয় দিনের মাথায় আবার সাবমেরিন ফাইবার অপটিক কেব্ল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত বিটিটিবির চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সংযোগ তার কাটা পড়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট যোগাযোগের এই মহাসড়ক−সাবমেরিন ফাইবার অপটিক কেব্ল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সাড়ে ছয় ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন থাকে বাংলাদেশ। ঘটনাটি ঘটে গত রোববার রাত ১২টায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের গাছবাড়ীয়া বরগুনি ব্রিজে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় মেরামতের পর আবার সংযোগ চালু হয়। একে নাশকতামূলক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) অফিস সহকারী এস এম জসিম উদ্দীন বাদী হয়ে চন্দনাইশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।১১ নভেম্বর রাতে চন্দনাইশ উপজেলাধীন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দেওয়ানহাটের উত্তরে পাঠানি ব্রিজ এলাকায় অনুরূপভাবে কে বা কারা ফাইবার অপটিক সংযোগের তার কেটে দেয়। এতেও প্রায় ছয় ঘণ্টা ইন্টারনেট যোগাযোগ বন্ধ ছিল।চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়েদউল্লাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, তার কাটার ঘটনার সংবাদ পেয়ে সারা রাত তিনি ও পুলিশ সদস্যরা ওই এলাকায় উপস্িথত ছিলেন।বিটিটিবির একটি সুত্র জানায়, ফাইবার অপটিক তার জনগণের কোনো কাজে আসে না। সুত্রটি একে নাশকতামূলক বলে উল্লেখ করে।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
ইন্টারনেটে শিশুদের নিরাপত্তা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ইন্টারনেটের পরিচালন-পদ্ধতি কী হবে, সে ব্যাপারে জাতিসংঘের গঠন করা ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের (আইজিএফ) দ্বিতীয় সভা গত সোমবার থেকে ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরোতে শুরু হয়েছে। আইজিএফের এ সভায় ইন্টারনেটে শিশুদের নিরাপদ রাখার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে। পাশাপাশি সাইবার অপরাধ ঠেকানোর কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হচ্ছে।
সোমবার রিও ডি জেনিরোতে সমুদ্রসৈকতের একটি হোটেলে আইজিএফের এ সভার উদ্বোধন করেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল শা জুকাং। তিনি মহাসচিব বান কি মুনের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। এ সময় ব্রাজিলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী সের্গিও রেজেনডে বক্তৃতা করেন। তাঁরা বলেন, বিশ্বের ৮০ শতাংশ মানুষ এখনো ইন্টারনেটের আওতার বাইরে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর বেশির ভাগই উন্নয়নশীল দেশে বসবাস করছে। আইজিএফের এ সভায় ১০০টি দেশের প্রায় দুই হাজার প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। প্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সরকার, বেসরকারি খাত, এনজিও, সুশীল সমাজ, সংবাদমাধ্যমসহ সব পক্ষের অংশগ্রহণ রয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পরিচালক আবদুল খালেক এবং সিনিয়র সহকারী সচিব আবু হেনা মোরশেদ আইজিএফে অংশ নিচ্ছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিএফের নির্বাহী সমন্বয়ক মারকাস কামার জানান, অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সবার দায়িত্ব হিসেবে দেখা দিয়েছে। যদি সহযোগিতা পাওয়া যায় তবে এ ব্যাপারে অনেক কিছু করা যাবে। আইজিএফে ১১২টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এ সভা কাল বৃহস্পতিবার শেষ হবে। ২০০৫ সালে তিউনিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তথ্যসমাজ শীর্ষ সম্মেলনের চুড়ান্ত পর্যায়ে আইজিএফ গঠন করা হয়। গত বছর এথেন্সে এর প্রথম সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
তথ্যসূত্র-দৈনিক প্রথম আলো
সাম্প্রতিক মতামত