Dec 08
চলতি বছরে আন্তর্জাতিক একটি প্রযুক্তি পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের দুই প্রতিষ্ঠান−সেলবাজার ও গ্রামীণ শক্তি। পৃথিবী জুড়েই এখন প্রযুক্তির জয়জয়কার। যাঁরা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন, তাঁদের সম্মান জানাতেই যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির টেক মিউজিয়াম প্রতিবছর আন্তর্জাতিক পুরস্কার দিয়ে থাকে। এটি ‘টেক মিউজিয়াম অ্যাওয়ার্ড’ নামে পরিচিত। পৃথিবীতে যেসব প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভুমিকা রাখে, সেসব প্রযুক্তিকে উংসাহ দেওয়াই এ পুরস্কারের মূল উদ্দেশ্য। প্রতিবছর পাঁচটি বিভাগে মোট ২৫টি পুরস্কার দেওয়া হয়। এই পাঁচটি বিভাগ হচ্ছে শিক্ষা, সমতা (ইকুয়ালিটি), পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। প্রতিবছর প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দেওয়া হয় এবং আবেদন করতেও বলা হয়। বিচারকদের একটি আন্তর্জাতিক প্যানেল বিভিন্ন প্রায়োগিক প্রযুক্তি বাছাই করে দেখে। এরপরই সেরা ২৫ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরস্কারটা পায়। প্রতিটি বিভাগ থেকে পাঁচ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রত্যেক বিজয়ীকে ৫০ হাজার ডলার করে দেওয়া হয়। বিজয়ীদের বার্ষিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কার দেওয়া হয় এবং টেক লরেটস ভেনচার নেটওয়ার্কে (টিএলভিএন) যুক্ত করা হয়। টিএলভিএনের মাধ্যমে বিজয়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাদের কাজের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। এ পুরস্কার ২০০০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দেওয়া হচ্ছে। পৃথিবীর শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক সংস্থা এ পুরস্কারের পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। এসবের উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অ্যাপ্লায়েড ম্যাটেরিয়াল, জাতিসংঘ উন্নয়ন তহবিল. বিশ্বব্যাংক ইনস্টিটিউশন, মাইক্রোসফট করপোরেশন, ইন্টেল করপোরেশন, অ্যাকসেনচার ইত্যাদি। পৃষ্ঠপোষকদের নামেও বিভিন্ন পুরস্কার রয়েছে। যেমন, ইন্টেল এনভায়রনমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, অ্যাকসেনচার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট আওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এডুকেশন অ্যাওয়ার্ড, সোয়ান সন ফাউন্ডেশন হেলথ অ্যাওয়ার্ড এবং সানডিস্ক ইকুইলিটি অ্যাওয়ার্ড।
সম্মানজনক এই পুরস্কারের তালিকায় বাংলাদেশের নাম দেখা গেছে দুইবার।টেক মিউজিয়াম পুরস্কার পেয়েছে সেলবাজার ও গ্রামীণ শক্তি।
সেলবাজার
উন্নয়নশীল দেশগুলোয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান বাধা যোগাযোগ ব্যবস্থা। গ্রামাঞ্চলে যেসব জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন, সেখানে কৃষক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে অনেক সস্তায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়। ফলে দরিদ্র কৃষক দরিদ্রই থেকে যায় এবং পাইকারি বিক্রেতা বা মধ্যস্বত্বভোগীরা এসব পণ্য শহরে বেশি দামে বিক্রি করে। এ সমস্যার সমাধানের চিন্তা করেছেন বাংলাদেশি তরুণ কামাল কাদীর। সেলবাজার মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটভিত্তিক একটি ভার্চুয়াল বাজারব্যবস্থা। এ বাজারে একটি সাধারণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যে কেউ কোনো কিছু কিনতে বা বেচতে পারে। গ্রামীণফোনের গ্রাহকেরা একটি সাধারণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস করে দেশের যেকোনো স্থান থেকে পণ্যের খোঁজ নিতে পারবে, আবার অন্যকে জানানোও যাবে। ফোনের মাধ্যমেই পণ্য, পণ্যের দাম এবং মান সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। এতে বাংলা ভাষায় প্রথম আলোর শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনও পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) পড়ার সময় একটি শ্রেণী প্রকল্প করতে গিয়ে কামাল কাদীর প্রথম সেলবাজারে ধারণা পান বলেজানান। বর্তমানে দেশে সেলবাজার অত্যন্ত জনপ্রিয়। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। সেলবাজার দল প্রতিদিনই চেষ্টা করে যাচ্ছে কীভাবে এটি সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায়। এখন এসএমএস ছাড়াও ওয়াপ এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেলবাজার ব্যবহার করা যায়। এর ঠিকানা: cellbazaar.com
গ্রামীণ শক্তি
উন্নয়নশীল দেশের গ্রামাঞ্চলে যেখানে বিদ্যুৎ বা গ্যাস সংযোগ নেই, সেসব স্থানের মানুষকে কেরোসিন বা অন্যান্য জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হয়। এসব জ্বালানি ব্যবহারের খরচ অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব নয় এবং ক্যান্সারের মতো রোগ সৃষ্টি করে। গ্রামীণ শক্তি এ সমস্যা সমাধানে সৌরশক্তিনির্ভর ‘সোলার হোম সিস্টেম’ চালু করেছে। এর মাধ্যমে সহজে বায়োগ্যাস তৈরির পদ্ধতি, উন্নতমানের স্টোভ ব্যবহারের পদ্ধতি গ্রামের নারীদের শেখানো হয় এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীরা সোলার হোম কিনতে পারে। সোলার হোম সিস্টেম বসিয়ে এবং মেরামত করে গ্রামীণ অনেক মহিলা এখন স্বাবলম্বী। এ ছাড়া সৌরশক্তির সাহায্যে তারা মুঠোফোন এবং রেডিওর মাধ্যমে যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করছে।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথমআলো
Dec 04


বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পকে জাপানের মত উন্নত‘দেশে সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং আউটসোর্সিং সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশের গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিঃ এবং জাপানের স্মার্ট কমিউনিকেশন্সের মধ্যে গত ২ ডিসেম্বর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশীপ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিমিটেডের সিইও কাজী ইসলাম এবং স্মার্ট কমিউনিকেশন্স এর সিইও মাসাকি এবে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিস্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে স্মার্ট কমিউনিকেশন্স এবং গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিঃ উভয়ে স্ট্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিঃ এর সিইও কাজী ইসলাম তার বক্তব্যে আশা প্রকাশ করেন, ‘সারাবিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে ‘স্মার্ট কমিউনিকেশন্স’ ব্রীজ আকারে কাজ করে যাবে। সেই সাথে জাপানে দিন দিন তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কাজের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এক্ষেত্রে এই চুক্তির ফলে জাপানের বিশাল বাজারে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণ সল্যুউশন্স কাজ করার সুযোগ পাবে। জাপান সহ বিভিন্ন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কাজের অর্ডার সংগ্রহ করবে স্মার্ট কমিউনিকেশন্স এবং গ্রামীণ সল্যুউশন্স তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাপানের বাজারে সফটওয়্যার রপ্তানি করতে সক্ষম হবে’। জাপানের স্মার্ট কমিউনিকেশন্স এর সিইও মাসাকি এবে জানান, ‘জাপানে তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কাজের যথেষ্ট চাহি দা রয়েছে এবং বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সফটওয়্যার রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। স্মার্ট কমিউনিকেশন্স জাপানের বাজারে বাংলাদেশের সফটওয়্যার শিল্পকে যথাযথভাবে পরিচিতকরণের মাধ্যমে আউটসোর্সিং কাজে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সেই সাথে জাপানে তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের দক্ষ প্রযুক্তিকর্মীদের চাকরির সুযোগ তৈরিতে সহযোগিতা করে যাবে। বাংলাদেশের সফটওয়্যার শিল্পকে বহিঃবিশ্বে বিশেষ করে জাপানে সঠিকভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে আউটসোর্সিং ভিত্তিক বিভিন্ন কাজসমূহ করতে এই পার্টনারশীপ চুক্ত বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশাপ্রকাশ করা হয়। গ্রামীণ ব্যাংক ভবনে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিঃ এর এমডি নাজনীন সুলতানা, গ্রামীণ ফান্ড এর ভারপ্রাপ্ত এমডি এমদাদুল হক এবং গ্রামীণ কল্যাণের এমডি শেখ এবদুদ দইয়ান উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
Dec 04
বছরের এ সময়টাতেই আমাদের দেশের কম্পিউটার প্রোগ্রামাররা একটু নড়েচড়ে বসেন। কারণ এসিএম আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার (আইসিপিসি) বিভিন্ন আঞ্চলিক পর্বগুলো এ সময়ই শুরু হয়। এশিয়া অঞ্চলের ঢাকা পর্বের প্রতিযোগিতার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ ডিসেম্বর। ঢাকার ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এর আয়োজন করবে। গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন তথ্য জানানো হয়।সম্মেলনে জানানো হয় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা পর্বের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এসিএমের পূর্ণ অর্থ−অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি। কম্পিউটারবিষয়ক কাজ করে বা পড়াশোনা করে এমন মানুষই মূলত এসিএমের সদস্য হয়ে থাকেন। আমাদের দেশের কম্পিউটার শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ সৃষ্টি ও দক্ষ প্রোগ্রামার তৈরির লক্ষ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরে। এবারে ঢাকা পর্বে বাংলাদেশের ৩০টি এবং চিনের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৫টি প্রোগ্রামিং দল অংশ নেবে বলেসংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। প্রতিযোগিতায় এ বছরই প্রথমবারের মতো ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহার করা হবে। এসব ল্যাপটপ সরবরাহ করবে আসুস এবং বাংলাদেশ এর পরিবেশক গ্লোবাল ব্র্যান্ড বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতার কার্যনির্বাহী সভাপতি সৈয়দ আকতার হোসেন জানান, এবারের প্রতিযোগিতাকে যেকোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সঙ্গে তুলনা করা যাবে। প্রতিযোগিতার পুরো নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা পরিচালনা করা হবে পিসি স্কয়ার সফটওয়্যারের মাধ্যমে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্িথত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম লুতফর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম কায়কোবাদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ এল হকসহ অনেকে।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথমআলো
Dec 04
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতিকে (বিসিএস) দেশব্যাপী বিস্তৃত করা, অভ্যন্তরীণ তথ্যপ্রযুক্তি বাজারকে আরও বড় করাসহ সাংগঠনিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেছেন, সংগঠনটির নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীরা। দেশের কম্পিউটার খাতের সবচেয়ে প্রভাবশালী এ সংগঠনের ২০০৮-০৯ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের প্রার্থী পরিচিতি সভায় গতকাল শনিবার প্রার্থীরা এমন অঙ্গীকার করেন। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৫ জন প্রার্থী তাঁদের পরিচিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। বিসিএসের গত দুটি নির্বাচনে প্রার্থীরা প্যানেলভুক্ত হয়ে নির্বাচন করলেও এবার কোনো প্যানেল নেই। তাই পরিচিতি সভায় ১৫ প্রার্থী আলাদাভাবে তিন মিনিট করে বক্তব্য দেন এবং প্রত্যেকের নিজস্ব পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পরিচিতি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান স্বদেশ রঞ্জন সাহা ও সদস্য আজহার এইচ চৌধুরী। বিসিএসকে ঘিরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা বলেন প্রার্থীরা। অনেকেই বিসিএসের আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে সুসংগঠিত করার কথা বলেন। এ সমিতির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথাও বলা হয়। সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে কথাবার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে পরিচালনা করা, নিয়মিত মুখপত্র প্রকাশ করা, বিসিএসের নিজস্ব ভবন নির্মাণ, দেশব্যাপী কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ানো, ব্যবসায়ীদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন, কম্পিউটার খাতে নিয়োজিত ব্যবসায়ীদের নিয়ে কম্পিউটার ব্যবসায়ী পর্যবেক্ষণ সেল গঠন, বিসিএসের দপ্তরকে আরও গতিশীল ও দক্ষ করে তোলা প্রার্থীদের বক্তব্যে প্রাধান্য পায়। বিসিএসের এ নির্বাচন ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এতে মোট সাতটি পদের জন্য ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন মোস্তাফা জব্বার, কাজী আশরাফুল আলম, মো. মনিরুল ইসলাম মনি, ইউসুফ আলী শামীম, এম মারুফ আলম, মো. শাহিদ উল-মনির, এ টি শফিক উদ্দিন আহমদ, মো. আশরাফুজ্জামান, মজহার ইমাম চৌধুরী পিনু, মতিউর রহমান বকুল, আহমেদ হাসান, আক্তারুজ্জামান, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. মঈনুল ইসলাম ও হাফিজ আকবর হোসেন।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
Dec 04

গুগলের এ্যাডসেন্স ব্যবহারকারীদের জন্য অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ নিয়ে এলো একটি নতুন ফোরাম । শেয়ার ডট আইডিয়া টু ডেস নামের এ ফোরামে নিবন্ধিত হয়ে এ্যাডসেন্স শেয়ারিং অপশনে নিজের পি.ইউ.বি নাম্বার দিতে হবে। তাহলে এ ফোরামের তিনটি ইউনিটেই প্রদর্শিত হবে ব্যাবহারকারীর এ্যাড। ফলে তিনি নিজ ওয়েব সাইট ছাড়াও তাঁর এ্যাড প্রদর্শনের মাধ্যমে অতিরিক্ত আয় করার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশ থেকে এটাই প্রথম গুগলের বিজ্ঞাপন থেকে আয় ভাগাভাগির ফোরাম। এখানে যত বেশি লেখা পাঠানো যাবে, আয়ও তত বেশি হবার সম্ভাবনা থাকবে। সাইটের ঠিকানা: htp://share.ideatodays.comতথ্যসূত্র: দৈনক ইত্তেফাক
Dec 04


কী-বোর্ড, মাউসে ওয়ারেন্টি থাকেনা। কাজের সময় কম্পিউটারের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এই ইনপুট ডিভাইস যখন তখন বিগড়ে যেতে পারে। গুনগত মান এবং এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা নিয়ে কম্পিউটার সোর্স নিয়ে এসেছে বিশ্বখ্যাত লজিট্যাক ব্র্যান্ডের কী-বোর্ড ও মাউস। স্টাইলিশ ও নির্ভরযোগ্য এই কী-বোর্ড এর সাথে স্পিল রেজিস্ট্যান্ট ডিজাইন। এর বাটনগুলো আরামদায়ক। দুঘর্টনাবশত কীবোর্ডের উপর কোন তরল পদার্থ পড়ে গেলেও আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। এর স্পিল রেজিস্ট্যান্ট প্রযুক্তি তরল পদার্থকে নীচের ছিদ্র দিয়ে বের করে দেয়। সুইস টেকনোলজী নিয়ে লজিট্যাক এর ইজি কীবোর্ড ডিলাক্স দেয় দীর্ঘদিন ব্যবহারের ও গুনগত মানের নিশ্চয়তা। লজিট্যাক অফিস হুইল মাউসে আছে ইজি স্ক্রল হুইল, আরামদায়ক বাটন। এটি হাতের মুঠোয় সহজেই এটে যাবে।
কম্পিউটার সোর্স লজিট্যাক ব্র্যান্ডের কীবোর্ড ও মাউসে দিচ্ছে ১ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা। কী-বোর্ডের মূল্য ৪৫০ টাকা এবং মাউসটির মূল্য ১৬০ টাকা মাত্র।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ:
৯১৪০১৫২, ৯১২৭৫৯২, ০১৭১৪১৬৪৭৪২
কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড
Nov 27
বিশ্বখ্যাত টিপি-লিংক পণ্যের বাজারজাত করণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সমর্থ হওয়ায় বাংলাদেশে টিপি-লিংক ব্র্যান্ডের আমদানীকারক ‘এক্সেল টেকনোলজিস’ এর উদ্যোগে গতকাল স্থানীয় একটি হোটেলে জাকজমকপূর্ণ ভাবে ‘টিপি লিংক অ্যাওয়ার্ড সন্ধ্যা’ উৎযাপিত হয়। এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেড আয়োজিত অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সারাদেশব্যাপী বিস্তৃত ডিলারদের উপস্থিতিতে ডিলারদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। সারাদেশে ‘টিপি-লিংক’ ব্র্যান্ডের পণ্য সফলভাবে বাজারজাতকারী প্রায় ৫২ জন ডিলারকে অ্যাওয়ার্ড ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। সর্বমোট ৪টি ক্যাটাগরিতে অর্থাৎ মাস্টার রিসেলার, প্লাটিনাম রিসেলার, গোল্ড রিসেলার ও সিলভার রিসেলার হিসেবে অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে দেশব্যাপী টিপি-লিংক পণ্যের বাজারজাত-করণে তাদের ভূমিকাকে স্বীকৃতি প্রদান করা হলো। অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং বাংলাদেশে বিশ্বখ্যাত টিপি-লিংক পণ্যের আমদানীকারক এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব অলক সাহা স্বাগত বক্তব্যে জানান, ‘বিশ্বখ্যাত টিপি-লিংকের পণ্যসমূহ বাংলাদেশে বাজারজাত করতে পেরে আমরা গর্বিত। টিপি-লিংক চায়নাতে মার্কেট শেয়ারে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। বিশ্বজুড়ে নেটওয়ার্কিং পণ্য হিসেবে টিপি-লিংকের পণ্য স্বীকৃত। বাংলাদেশে কোয়ালিটি নেটওয়ার্ক পণ্য হিসেবে টিপি-লিংক সারাদেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ডিলারদের সমন্বিত অশংগ্রহণ আমাদেরকে আরো উৎসাহ যোগাবে।’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব গৌতম সাহা এবং ইসিস ডিস্ট্রিবিউশনের কান্ট্রি ম্যানেজার জনাব রেজাউনুর রব জিয়া। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেড এবং ইসিস ডিস্ট্রিবিউশনের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি সম্পাদন অনুসারে ইসিস ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ, মনিটর ও মাদারবোর্ড বিক্রি করবে এক্সেল। তাছাড়া ইন্টেলের ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে ইসিস এর সহায়তায় এক্সেল বাংলাদেশে ইন্টেলের পণ্যসামগ্রীও বিক্রয় করবে। এক্সেল টেকনোলজিস ডিসেম্বর মাস হতে তাদের আকর্ষণীয় বিজনেস ক্যাম্পেইন চালাবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
তথ্যসূত্র:দৈনিক ইত্তেফাক
Nov 27
গত ১৮ ই নভেম্বর আইসিটি ইনকিউবিটর এবং কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মিলে কারওয়ান বাজারস্থ বিএসআরএস ভবনে যৌথভাবে আয়োজন করেছিলো এক রক্তদান কর্মসূচির। সেদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আয়োজন করেছিলো এ প্রোগ্রামের। আইসিটি ইনকিউবেটর এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সর্ভিস ছিলো আয়োজনের মূল দায়িত্বে। এদিন এই প্রতিষ্টানের সদস্যরা এবং স্বেচ্ছাসেবকরা মিলে রক্ত সংগ্রহ করে দাতাদের কাছ থেকে। এ অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন বেসিসের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট জনাব রফিকুল ইসলাম রওলি, সাধারন সম্পাদক জনাব শোয়েব আহমেদ মাসুদ, সহ-সাধারন সম্পাদক জনাব শামিম আহসান এবং ট্রেজারার জনাব ফাহিম মাশরুর । তাদের সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন আইসিটি ইনকিউবেটরের অফিস ম্যানেজার জনাব এম এ রাজ্জাক। এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহনকারী সকল রক্তদাতাকে প্রদান করা হয় তাদের স্ক্রিনিং রিপোর্ট এবং পাঁচটি গুরত্বপূর্ণ রোগের টেষ্ট রিপোর্ট সম্বলিত ডোনেশরন কার্ড।
Nov 27
ইওরোপিয়ান কমিশনের এশিয়া ইনভেষ্ট প্রোগ্রামের অর্থায়নে বিসিসের একটা প্রজেক্ট হলো বাংলাদেশ ইনফরমেশন টেকনোলজি ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম। এ প্রোগ্রামের উদ্যোক্তা হলো ডেনিশ ফেডারেশন অফ স্মল এন্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস বা ডিএফএসএমই , যারা একইসাথে বেসিস এবং এর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং ট্রেনিং দিচ্ছে। এই প্রজেক্টের প্রধান ল্য হলো দুটো-আর সেগুলো হলো বেসিসের ক্যাপাসিটির উন্নয়ন এবং একটা পাইলট ট্রেনিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ইওরোপে বাজার তৈরী করা। একইসাথে এই প্রজেক্টের দীর্ঘমেয়াদি ল্য হলো ডেনমার্ক সহ অন্যান্য ইওরোপিয়ান প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে বানিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা। এই প্রজেক্টের অংশ হিসেবে বেসিস তাদের নির্বাচিত রপ্তানি উপদেষ্টা এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানগুরোর জন্য ট্রেনিং-এর ব্যাবস্থা করে। আটটি মডিউলে ভাগ করা এই ট্রেনিং প্রোগ্রাম শুরু হয় গত জুন মাস থেকে এবং শেষ হয় সেপ্টেম্বরে। এই ট্রেনিং প্রোগ্রামেই বেসিস তাদের নির্বাচিত ১৩ জন্য অংশগ্রহনকারীর জন্য একটা ইওরোপ ট্যুরের আয়োজন করেছে। বিটম্যাপের প্রোজেক্ট ডাইরেক্টর জনাব টি আই এস নুরুল কবীরের নেতৃত্বে এই প্রোজেক্টের ৮ জন ছিলেন প্রতিষ্টানগুলোর রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং বাকি ৫ জন ছিলেন রপ্তানি উপদেষ্টা। এদের মধ্যে ৬ জন যাবেন যুক্তরাজ্য, ৫ জন ফিনল্যান্ড এবং বাকি ২ জন ডেনমার্ক। এ প্রোজেক্টের বিটম্যাপের ইওরোপিয়ান পার্টনার ডিএফএসএমই, গ্রেটার ম্যানচেষ্টার চেম্বার অফ কমার্স এবং টিএন্ডই ফিনল্যান্ড মিলে বিভিন্ন দেশে এ প্রোজেক্টের জন্য বেশ কিছু ইভেন্টোর আয়োজন করবে। এ সফরে অংশগ্রহনকারীরা আইসিটি কোম্পানিগুলোর আউটসোসিং সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে বেশ কিছু মিটিং করবে এবং একটা সেমিনারে অংশ নিবে। ২৫ শে নভেম্বর থেকে শুরু হবে তাদের এই যাত্রা।
সাম্প্রতিক মতামত