Nov 18
ভিডিও গেমসের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন কিছু বলার কোন অবকাশ নেই। সারা বিশ্ব জুরে এর এক বিশাল বাজার রয়েছে। এই বাজারে একটা অবস্থান করে নিতে মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারকরা তাদের গেমস ইনস্টল করে। মোবাইল ফোন ব্যাবহারকারীরা তাদের মোবাইল ফোনেই গেম খেলতে পারতো। ফলে বিশ্বব্যাপি মোবাইল ফোনে গেম খেলার জন্য একটা বড় বাজার গড়ে উঠে। কিন্তু এই বছরের দ্বিতীয় কোয়ার্টারে বিশ্বব্যাপি মোবাইল ফোনের রিভিনিউ ৯% কমে গেছে। আর এই তথ্য দিয়েছে আই সাপলি। এটি আসলে এই বছরের প্রথম তিন মাসের ১১% শতাংশ বৃদ্ধির সাথে তুলনা করে নির্ধারন করা হয়েছে। আই সাপলি-এর বিশ্লেষক ডেভিড কার্নিভাল বলেন, এটি একটি বিশাল ধাক্কা। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামি চার বছরের মধ্যে মোবাইল ফোনের রেভিনিউ তিনগুন বৃদ্ধি পেয়ে ৬.৬ মিলিয়ন ইউএস ডলারে গিয়ে দাড়াবে। ’বছরের তৃতীয় এবং চতুর্থ ভাগে মোবাইল গেমিং-এর রেভিনিউ বৃদ্ধি স্লথ হয়ে পড়েছে এবং এর মূল কারন কনটেন্ট প্রোভাইডারদের দুর্বলতা। তবে আমি আশাবাদি এই অবস্থার দ্রুতই পরিবর্তন ঘটবে এবং বাজারের জন্য একটা সুসংহত অবস্থার সৃষ্টি হবে’ তিনি বলেন। আমাদের দেশেও মোবাইল গেমিং এর জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যিদিও এখনো আমাদের দেশে হাইএন্ড মোবাইল গেম খেলতে ব্যাবহারকারীরা অভ্যস্ত নন।
তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
Nov 07
একটা লিনাক্স ফোন তৈরী করার জন্য জোট তৈরী করার ঘোষনা দিলো গুগল । এই লিনাক্স ফোন তৈরী করা হবে এমনভাবে যেনো এটাতে গুগলের সকল এপ্লিকেশন চলতে পারে। এন্ড্রয়েড নামের এই ওপেন প্ল্যাটফর্মে কাজ করবে গুগল সহ আরো ৩৪ টি প্রতিষ্ঠান। এগুলোর মধ্যে আছে টি-মোবাইল, স্প্রিন্ট নেক্সটেল, এনটিটি ডকোমো, চায়না মোবাইল, টেলিফোনিকা, টেলেকম ইটালিয়া, মটোরোলা, স্যামসাং, এইচটিসি, কোয়ারকম এবং ইন্টেল। গত সোমবার এক অফিসিয়াল প্রেস রিলিজে এই কথা জানিয়েছে গুগল। তাদের প্রেস রিলিজে আরো বলা হয় যে, তারা একটা সিংগেল ফোন তৈরী করার বদলে তাদের প্রজেক্ট এন্ড্রয়েড অনেক বেশি উচ্চাকাংখি পরিকল্পনা। এই প্রজেক্টে তাদের পরিকল্পনা হলো একটা অপারেটিং সিস্টেম, একটা ইউসার ইন্টারফেস এবং মোবাইল ফোনে চলার উপযোগী সব ধরনের সফটওয়্যার তৈরী করা যার সবটাই হবে ওপেন সোর্স ভিত্তিক। গত সপ্তাহ থেকে বিশ্বের সংবাদমাধ্যম গুলোতে একটা গুজব ভাসছিলো যে এই সপ্তাহেই ঘোষনা আসছে গুগল ফোনের কিন্তু তারা যে এরকম একটা জোট তৈরী করার ঘোষনা দিবে সেটা কারো মাথায় ছিলো না। আশা করা যাচ্ছে আগামি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে আসবে এন্ড্রয়েড বেসড মোবাইল ফোন।
তথ্যসূত্র: টেকক্রাঞ্চ
Sep 24
ভিডিও গেমস প্রথম থেকেই অপছন্দ করে আসছেন বাবা-মা। কারন ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার প্রধান শত্রু ভিডিও গেমস। কিন্তু এবার মনে হয় সে ধারনার পরিবর্তন হতে চলেছে। ভিডিও গেম এবার স্থান করে নিতে চলছে জাপানিজ ক্লাসরুমগুলোতে। জাপানের অনেক শহরেই শিকরা চাচ্ছেন ভিডিও গেম মেশিনের সাহায্যে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার সাথে জড়িত করতে। এক্ষেত্রে বড় উদাহরন হতে পারে ভিষন জনপ্রিয় নিনটিন্ডো ডিএস ডাবল স্ক্রিন হ্যান্ড হোল্ড কনসোল।
যার আকর্ষনের সাহায্যে একইসাথে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ঢোকানো যাবে এবং অবস্থান করানো যাবে। এই স্ট্রাটিজিকে কাজ করাতে দেখা যাচ্ছে টোকিওর একটা স্কুলে। যেখানে প্রতি সকালে এক্সট্রা কারিকুলার ম্যাথ শেখার জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা জড়ো হয়। সাইতো মিয়াউশি একজন বারো বছরের শিক্ষার্থী । শিক্ষক রাইতো হিরাই তার মুখে এনে দিয়েছেন ডিএস স্ক্রিনের মাধ্যমে নিস্পাপ হাসি। মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে সাইতো যখন ৪৫ টি ম্যাথম্যাটিক্স ক্যালকুলেশন করে ফেললো তখন সেটা অন্য সাধারন শিক্ষার্থীদের মধ্যে যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিলো। সাইতো তাই যারপরনাই খুশি। সে মেশিনটি অপারেট করছে টাচপেনের মাধ্যমে। ১৪ থেকে বারো বছর বয়সী ২৬ জন শিক্ষার্থীকে এই ধরনের অত্যানুধিক ভিডিও গেমস প্রযুক্তির মাধ্যমে অংক শেখানো হচ্ছে জাপানের ওয়াদা জুনিয়র হাই স্কুলে। আরেকজন শিক্ষার্থী নানা ওয়াটলুবি বলেছেন, আমি বেশীরভাগ সময় ব্যাডমিন্টন কাবে ব্যায় করতাম। কিন্তু ডিএস এর মাধ্যমে আমি এখন সর্বত্রই শিখতে পারবো এবং দ্রুতই পারবো। ভলেন্টিয়ার শিক কেউকো ইমাগুচি বলেন, তিনি বাচ্চাদের উন্নতি দেখে খুবই সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, আমার বাচ্চারা স্কুলে যাবার ব্যাপারে খুবই অনাগ্রহী ছিলো। কিন্তু এখন ঘুম থেকে উঠেই স্কুলে যাবার প্রস্তুতি শুরু করে। গেম মেশিনের মাধ্যমে যে পড়াগুলো বার বার বলতে হতো তা শেখা সহজ হয়ে যাচ্ছে। স্কুলটি পরিচালনা করছেন কাজুহিরো ফুজিয়ারা। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি টেলিভিশন অথবা ভিডিওগেমের ইতিবাচক বা সেতিবাচক দু ধরনের প্রভাবই আছে। এটা নির্ভর করে কে, কিভাবে একে ব্যাবহার করছে। জাপানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ইয়াওস্তা এ বছরই ডিএস লানিং শুরু করেছে। এই মেশিনের মাধ্যমে তারা ইংরেজিও শিা দিচ্ছে । এই শহরের চারটি জুনিয়র হাই-স্কুলে প্রতিদিন সকালে দশ মিনিট ধরে নতুন শব্দ শিখানো হচ্ছে। লাভটা হচ্ছে এই শিক্ষার্থীরা একই সাথে দেখতে, পড়তে ও লিখতে পারছে। কনভেনশনাল ফাশ কার্ডের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সেরাটা বেছে নিতে পারবে- বলেছেন ইউকিমিথশূ হায়াশি, শহরের স্কুল এডুকেশনের একজন দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। গেম কনসোলের সাথে অনুভব করা যাবে দ্রুতগতি এবং টেমপো। আমার মনে হয় এটা বর্তমানের বাচ্চাদের জন্য সামাঞ্জস্যপূর্ণ হবে। এ ব্যাপারে পিতা-মাতাদের কাছ থেকে কোন অভিযোগও আসেনি। প্রতিটি ডিএস টিচিং টুলের দাম ১৭০০০ ইয়েন বা ১৫০ ডলার। জুনিয়র হাইস্কুলের ৪০% শিক্ষার্থী এটা ব্যাবহার করে। জাপানের পঞ্চিপাহ্চলের শহর গাইকুনে ব্যাবহার করা হয় সনির প্লেস্টেশন পোর্টেবল ( পিএসপি )।গত সেপ্টেম্বর থেকে এই বছরের মার্চ পর্যন্ত ৯ থেকে ১০ বছে বয়সী প্রায় ৩৮ জন ফোর্থ গ্রেডের শিার্থী এটা ব্যাবহার করে।
তথ্যসুত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
Sep 22
বিশ্বের সর্ববৃহং চিপ নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান ইন্টেল এবার মোবাইল কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স-এ তাদের সবচাইতে বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে । তাদের টার্গেট হলো পারসোনাল কম্পিউটারের মতন মোবাইলের জগতেও তাদের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখা। আগামি বছরের শুরুর দিকে ইন্টেল লাঞ্চ করতে যাচ্ছে তাদের নতুন আবিস্কার মেনলো প্লাটফর্ম। এটা হলো মোবাইল ইন্টারনেট ডিভাইস বা এমআইডি কে চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় চিপস ও অন্যান্য উপাদানের একটা কালেকশন। এমআইডি-র কাজ হলো স্যাটেলাইট বেসড নিভিগেটরের মতন ডিভাইসে প্রয়োজনীয় ডাটার যোগান দেওয়া। গত মঙ্গলবার এরকমই একটা ঘোষনা দিলেন ইন্টেলের আলট্রা মোবিলিটি গ্রপের হেড আনন্দ চন্দ্রশেখর। ইন্টেল বর্তমানে বিশ্বের মাইক্রোপ্রসেসরের মার্কেটের প্রায় ৮০% তাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রনে রেখেছে এবং বিশ্বের কম্পিউটার সার্ভার এবং মাইক্রোপ্রসেসরের মার্কেটের অধিকাংম এখন তাদের নিয়ন্ত্রনে। কিন্তু যেহেতু পিসির মার্কেট এখন অনেকটাই সাবালত্ব পেয়ে গেছে তাই ইন্টেলের এখন নতুন বাজারের দিকে মনোনিবেশ করছে যেখানে তারা তাদের ডেক্সটপ পিসি থেকেও দ্রুতগতিতে সাফল্য অর্জন করতে পারবে। এ প্রসংগে এন্ডপয়েন্ট টেকনোলজিস এসোসিয়েটসের এনালিষ্ট রজার কে মনে করেন , ইন্টেল তাদের শক্তিমত্তা পিসি থেকে সরিয়ে নতুন মার্কেটম যেমন মোবাইল প্রযুক্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আপনি যদি এ মুহুতের্ত ইন্টেলের আর্কিটেকচারার ডেভোলপসেন্টের দিকে লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন যে তারা তারা বেশ কয়েকটি দিকে তারা এগিয়ে চলছে যেখানে তারা আগে কখনো শক্তিশালী ছিলো না। এদিকে চিফ এক্সিকিউটিভ পল ওটেলিনি বলেন যে, ইন্টেল তাদের প্রযুক্তিকে হাই-পারফরমেন্স কম্পিউটিং থেকে শুরু করে ইন্টারনেট-এণাবলড হ্যান্ড টুলস পর্যন্ত বিস্তৃত করতে চাচ্ছে । এদিকে ২০০৮ সালে ইন্টেল বাজারে আনবে তাদের নতুন জেনারেশনের পেনরিন প্রসেসে তৈরী মন্টেভিনা প্রসেসর টেকনোলজি যা একই সময়ে ওয়াই-ফাই ও ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তিকে একিভূত করছে। এই প্রসেসরে ব্যাবহার করা হবে প্রথমবারের মতন ৬৫ ন্যানোমিটার চিপ । তবে ইন্টেলের টার্গেট হলো পরবর্তিতে ৩২ ন্যানোমিটারের মতন ছোট চিপ প্রসেসরে ব্যাবহার করা।
Sep 14
দাম কমলো ফিলিপস মোবাইল ফোন এস-৬৬০ এর।।বর্তমানে মাত্র ৫,২৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ফিলিপস মোবাইলফোন এস৬৬০।কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড এই মোবাইল ফোনটি বাজারে ছেড়েছে।ফোনটির গেটআপ অত্যন্ত আকর্ষনীয় যা যে কোন হাতে মানাবে খুব ভালো ।
ফিলিপস এস৬৬০ ফোনটির বিশেষ বিশেষ ফিচারগুলো হলো:
ডিসপে টাইপ:সিএসটিএন ,৬৫ কে কালার
ডিসপে সাইজ:১২৮.১২৮ পিক্সেল,১.৫ ইঞ্চি
ফোর ওয়ে নেভিগেশন কি
ক্যামেরা ভিজিএ
রিংটোন:পলিফনিক (৬৪ চ্যানেল)
এমপিথ্রি, ভিডিও
ডাটা ক্যাবল ফ্রি
কল রেকর্ড:৩০টি ডায়ালড,রিসিভড এবং মিসড
বিল্ট ইন কার্ড মেমোরী:১২৮ মেগাবাইট
মেসেজিং:এসএমএস,ইএমএস,এমএমএস
ব্রাউজার:ওয়াপ ২.০/এক্স এইচটিএমএল ভিডিও
এই ফোনটির দাম পড়বে ৫২৫০ টাকা।এর সেটের ওয়ারেন্টি থাকছে ১ বছরের এবং ব্যাটারীর ওয়ারেন্টি থাকছে ৬ মাসের।
যোগাযোগ:কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড
ফোন:৯১২৭৫৯২,০১৭১৩৩৬৫২০৪।
ই-মেইল:info@computersourcebd.com
Sep 10
মোবাইল ফোনের পিছনে যেই প্রযুক্তি আছে তার ২০ বছর পূর্তি হলো। ১৯৮৭ সালের ৭ ই সেপ্টেম্বর ১৫ টি মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠান জিএসএম কমিউনিকেশনের উপর ভিত্তি করে একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সমঝোতা স্বারক সই করে। বিশ বছর পর এখন আড়াইশ কোটিরও বেশী মানূষ মোবাইল ফোন প্রযুক্তি ব্যাবহার করে। সবচাইতে বেশী ব্যাবহার করে চীনের অধিবাসীরা।
সেখানে আছে ৪৪ কোটি ৫০ লাখ ব্যাবহারকারী। বিশ্বের মোবাইল ব্যাবহারকারীরা প্রতিদিন ৭০০ কোটি টেক্সট মেসেজ আদান প্রদান করে। বিশ্বে সবচাইতে বেশী বিক্রিত মোবাইল ফোন হলো নোকিয়া ১১০০। পরিসংখ্যানে আরো দেখা গেছে যে বৃটেনে অধিবাসীর চাইতে মোবাইল ফোনের সংখ্যা বেশী। বিশ্বে মোবাইল ফোন চালুর ১২ বছরের মধ্যে তৈরী হয় ১০০ কোটি ব্যাবহারকারী কিন্তু পরের ৩০ মাসে তা ছাড়িয়ে যায় ২০০ কোটি। ২০ বছর আগে ওই চুক্তি সাক্ষরের আগে ভাবাই যায়নি যে এতো বেশী ব্যাবহারকারী হবে মোবাইল ফোনের। তবে মোবাইল ফোনের যাত্রা ২০ বছর আগে হলেও জিএসএম প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হয় তারও অনেক আগে। জিএসএম এসোসিয়েশন জানায় মোবাইল ফোনের এত জনপ্রিয়তার পিছনে আছে উন্নয়নশীল দেশে মোবাইল ফোনের বিশাল চাহিদা তৈরী। সেসব দেশে এখন মোবাইল ফোনের বিকল্প কিছু নেই। কারন ফোনসেটের দাম কম এবং নেটওয়ার্ক বসানোর খরচ ও অনেক এখন অনেক কম । মোবাইল ফোনসেটের সংখ্যা বেশী হবার কারনে এখন এগুলো রিসাইক্লিং করাটাও একটা সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। জিএসএম এসোসিয়েশন থেকে আরো জানা যায় ভবিষ্যতে উচ্চগতির মোবাইল নেটওয়ার্কে সব ধরনের সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। মোবাইল ব্রডব্যান্ড নামে নতুন এক ধারনার প্রসার ঘটবে। একইসাথে পাল্টে যাবে ভবিষ্যতের সেটগুলেও।
তথ্যসুত্রঃ প্রথম আলো
Sep 08
দশ বছর আগেও অবস্থাটা ছিলো একবারেই অন্যরকম। তখন বিশ্বে মোট টেলিফোন সংযোগ ছিলো ১০০ কোটিরও কম। তার আবার বেশিরভাগই ছিলো ফিক্সডফোন। কিন্তু গত কয়েকবছরে মোবাইল ফোনের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। মোবাইল শিল্পে টেকনোলজিগত উন্নয়নের পাশাপাশি উন্ননশীল দেশগুলোতে সস্তা হয়ে যাবার কারনে বেড়ে গিয়েছে মোবাইল ফোনের ব্যাবহারকারী।
ফলে বর্তমানে পৃথিবীতে ফিক্সড পোন এবং মোবাইল ফোনের মোট সংযোগের সংখ্যা এখন ৪০০ কোটি। এর মধ্যে ফিক্সড ফোনের সংযোগ হলো ১২৭ কোটি আর মোবাইল ফোনের সংযোগ হলো ২৬৮ কোটি। এই ফোন সংযোগের শতকরা ৬১ ভাগ হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। বিশেষ করে চীন এবং ভারতে গত তিন মাসে সংযোগ বেড়েছে ২০ কোটি। তবে বিশ্বে ফোন ব্যাবহারকারী কতো জন সেটা বলা সম্ভব হয়নি। কারন উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এখন অনেকেই দুই বা ততোধিক সংযোগ ব্যাবহার করছে। ফোনের ব্যাবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীর সংখ্যাও। বর্তমানে বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীর সংখ্যা হলো ১০০ কোটির মতন। তবে মোবাইল ফোনে নেক্সট জেনারেশন প্রযুক্তি আসার ফলে এর ব্যাবহারকারী আরো বাড়বে। কিছুদিনের মধ্যেই মোবাইল ফোনে টেলিভিশন দেখা সম্ভব হবে এবং ভিওআইপি দিয়ে কথা ও বলা যাবে। উল্লেখ্য জাতিসংঘের টেলিযোগাযোগ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বের হয়ে আসে এই সব তথ্য।
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
Sep 08
গত ৪ ঠা সেপ্টেম্বর ঢাকার চারটি স্থানে ওয়াই-ফাই জোন লাঞ্চ করার মাধ্যমে নোকিয়া তার গ্রাহকদেরকে নতুন চমক দিলো । ইন্টারনেট প্রযুক্তি গ্রাহকদের কাছে সহজলভ্য করার জন্য যে সব প্রযুক্তি আবিস্কৃত হয়েছে তার মধ্যে ওয়াই-ফাই একটি। বাজারে এখন নোকিয়ার বেশ কিছু হ্যান্ডসেট পাওয়া যায় যার মাধ্যমে নোকিয়া দিচ্ছে তার গ্রাহকদেরকে এই সুবিধা। বাংলাদেশের শীর্ষ ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অগ্নি সিস্টেমসের সাথে যুক্ত হয়ে নোকিয়া এই সেবা প্রদান করছে।
যে চারটি স্থানে ওয়াই-ফাই জোন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে সেইগুলো হলো ধানমন্ডির কজমো লাউঞ্জ, গুলশান এভিনিউর এনএসআইএস, বনানীর পিএম লাউঞ্জ এবং গুলশান-২ এর দোজাভু ক্যাফে। এসব জায়গায় নোকিয়ার ওয়াই-ফাই সংযোগ যুক্ত সেটের ব্যাবহারকারীরা বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবে। এই জোনগুলোতে এন সিরিজের ৯৫, ৯৩ আই এবং ৭৫ মডেলের ফোন প্রদশিত করা হবে এবং ১৪ ইঞ্চি পর্দার মনিটর ও বেস স্পিকারে সেটগুলোর নানান রকম সুবিধা অসুবিধা তুলে ধরা হবে। এ প্রসংগে নোকিয়ার মার্কেটিং ম্যানেজার নওফেল আনোয়ার বলেন, ”নোকিয়া ব্যাবহারকারীরা ওয়াই-ফাই জোনগুলোতে ৫১২কেবি পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা গ্রহন করতে পারবে। ইন্টারনেট সেবা সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে আমরা ঢাকার চারটি স্থানে স্থাপন করেছি ওয়াই-ফাই জোন। শীগ্রই সাড়াদেশব্যাপি আমরা ওয়াই-ফাই জোন প্রতিষ্ঠার কাজ পুরোদমে শুরু করবো।” এসব জায়গাথেকে কেবলমাত্র আসল নোকিয়া ( ওয়ারেন্টি সহ বাংলাদেশ থেকে কেনা )ওয়াই-ফাই সংযোগ যুক্ত সেট ব্যাবহারকারীরা ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবে। এটা নিশ্চিত করার জন্য যখন এই ফোনটা দিয়ে ইন্টারনেট এ লগইন করা হবে তখন ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অগ্নি সেই মোবাইলের বিশেষ নাম্বারটি পরীক্ষা করে দেখবে। সেই নাম্বারটি মিলে গেলেই কেবল ব্যাবহারকারী এই সেটটি দিয়ে ইন্টারনেটে যুক্ত হতে পারবে। এই প্রসংগে অগ্নি সিস্টেমসের ডিরেক্টর জিয়া শামসি জানান, ’ঢাকায় কেবলমাত্র চারটি জায়গায় এই সুবিধা স্থাপন করা হলেও আগামি ছয়মাসের মধ্যে এই ওয়াই-ফাই সেবা চট্টগ্রমেও পৌছে যাবে বলে আশা করছি। সেই সাথে ১০০ টি স্থানে ওয়াই-ফাই জোন প্রতিষ্ঠা করার কাজ চলছে তবে তা নির্ভর করছে গ্রাহক চাহিদার উপরে। প্রথম ৬ মাস অগ্নি এই ইন্টারনেট সেবা প্রদানের জন্য কোন অর্থ নিচ্ছে না, বরং এটাকে একটা প্রমোশনাল কার্যক্রমের মতোই মনে করছে’। এই জোনগুলোতে ইন্টারনেট সেবা প্রদানের জন্য ব্যাকবোন হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে অপটিক্যাল ফাইবার। উল্লেখ্য নোকিয়ার ই-সিরিজের সবগুলো সেট এবং এন-সিরিজের সেশ কিছু সেটে আছে এই ওয়াই-ফাই সুবিধা।
তথ্যসুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
Aug 31
মাত্র ৩,৫৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ফিলিপসের এফ এম রেডিও ফোন ফিলিপস এস২২০। সিলভার কালারের এই সেটটি আকারে খুব ছোট এবং স্বাভাবিক ডিজাইন হওয়ায় পকটে অথবা হাতে খুব আরামে বহন করা যায়। এই সেটটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘক্ষন ধরে কথা বলা যায়।এর চার্জিংধারন ক্ষমতা অতুলনীয়।ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ ভাল পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম এই সেটটি। এই সেটের ওয়ারেন্টি থাকছে ১ বছরের এবং ব্যাটারীর ওয়ারেন্টি থাকছে ছয় মাসের।
এর ফিচারগুলি হলো:
-টক টাইম:৫ঘন্টা
-এফ এম রেডিও
-স্ট্যান্ডবাই টক টাইম:৩০০ ঘন্টা
-৬৫ককালার ডিসপ্লে
-কি প্যাড ব্যাকলাইট:নীল
-১৬ পলিফনিক রিংটোন
-ফোন বুক এন্ট্রি :৩০০
-এসএমএস,ইএমএস,ভাইব্রেটর,গেমস ক্যালকুলেটর এবং আরও অনেক রকমের ফাংশন
যোগাযোগ:কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড।
ফোন:০১৭১৩৩৬৫২০৪,০১৭১৩০৪৪৭০৩
সাম্প্রতিক মতামত