Dec 16

modern-prometheus.jpgঅধিকাংশ পিতামাতাই আশা করেন যে তাদের সন্তানেরা কম্পিউটারে গেমস খেলায় কম সময় ব্যয় করবে এবং হোম ওয়ার্ক, খেলাধূলা অথবা পরিবারের বিভিন্ন কাজে মনোযোগ বেশি করে দেবে। কিন্তু সন্তানেরা অনেক সময়ই এ ব্যাপারে বাবা-মা’র আশা পূরণ করতে পারে না। যাই হোক, এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছেন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর। তিনি একটি যৌথ সমাধান প্রদান করেছেন যেখানে ভিডিও গেমের মধ্যে শিক্ষাকে একত্রিত করেছেন যা ক্লাস রুমে স্থান পেয়েছে। এই প্রফেসর সাহেবের নাম ডুজ থমাস। যিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার এনেনবার্গ স্কুলের কমিউনিকেশনের প্রফেসর। তিনি এমন একটি গেমস শিক্ষার্থীদের জন্য ডেভেলপ করেছেন যা ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের নিত্যনতুন আইডিয়া এবং স্কিল ডেভেলপ করতে সহায়তা করবে। তবে এ বিষয়গুলো সাধারণ টেক্সট বইগুলোতে খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে প্রফেসর থমাস দাবী করেছেন। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, এই গেমসটিতে পরীক্ষামূলক বিভিন্ন বিষয় রয়েছে যাতে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাস্তব অনেক বিষয়ে শিক্ষা অর্জন করা সম্ভব। বই এর মাধ্যমে যা অর্জন করা করা কষ্টকর। এই গেমসটির নাম ‘মডার্ন প্রমিথিউস’। এখানে ফ্রাংকেন্সটাইন এর গল্প ব্যবহার করা হয়েছে পটভূমি হিসেবে। যাতে তাংক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের শিক্ষা পাওয়া যাবে। প্লেয়ারকে ড. ফ্রাংকেন্সটাইনের সহযোগী হিসেবে এখানে কাজ করতে হবে এবং বিভিন্ন কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে যা গেমসটির ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। থমাস বলেন, জটিল বিষয়গুলো কাহিনীতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। যেখানে ডাক্তারের সহযোগীকে শহরের বাসিন্দাদের জন্য হুমকিস্বরূপ বিভিন্ন বিষয় খুঁজে বের করতে হবে। মাথা খাটিয়ে তাংক্ষণিকভাবে নেয়া সঠিক সিদ্ধান্ত সমূহ শহরবাসীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে। এই কাজটি করতে গিয়ে প্লেয়ারকে ভাবতে হবে এই কাজটি করা আমার জন্য কি ভাল হবে? অথবা অন্যদের জন্য? গেমসটি খেলার জন্য কোন সঠিক পন্থা বা ভুল পন্থা নির্দিষ্ট করে দেয়া নেই। নিজের আত্মবিশ্বাস ও বুদ্ধির উপরই সম্পূর্ণ নির্ভর করতে হবে। এককভাবে শিক্ষার্থীরা এই গেমসটি ঘন্টাব্যাপী খেলতে পারবে এবং তাদের সিদ্ধান্ত সমূহ নিয়ে সহপাঠী বা শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করতে পারবে। এই গেমসটি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ক্লাসরূমে এই শীতে ব্যবহৃত হবে।
তথ্যসূত্র:দৈনিক ইত্তেফাক

Dec 08

microchip_070828_ms.jpgক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার কারণে মাইক্রোচিপের দাম কমেছে। যার কারণে লাভবান হচ্ছেন ক্রেতারা। জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এডভান্স মাইক্রো ডিভাইস (এএমডি) এর প্রধান নির্বাহী অফিসার হেক্টর রুইজ। কোম্পানিটির তৃতীয় সিলিকন ডিজাইন এবং রিসার্চ ফ্যাসিলিটি ভারতে উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমাদের জন্য দুঃসংবাদ ব্যবসায়িক কৌশল কতদিন পর্যন্ত ধরে রাখতে পারব এবং টাকা কামাতে পারব তার অনিশ্চয়তা। এই ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিযোগিতা করা খুবই কঠিন। আমি দেখেছি মূল্য এখানে কিছুই নয় কিন্তু এখানকার সবকিছুই খুব প্রতিযোগিতামূলক। পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম এই চিপ নির্মাতা কোম্পানি তাদের বৃহত প্রতিদ্বন্দ্বি ইন্টেলের সাথে মার্কেট শেয়ার নিয়ে অবিরত সংগ্রাম করে যাচ্ছে। যারা টানা চারটি কোয়ার্টারে ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। কোম্পানিটির সেপ্টেম্বর মাস শেষে ডেবিড ছিল ৫.০ বিলিয়ন ডলার। এই মাসে তারা ৮.১ শতাংশ স্টক বিক্রি করেছে আবুধাবি সরকারের কাছে একটি চুক্তির আওতায়। মূল্য পরিশোধের পর যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৬০৮ মিলিয়ন ডলার। রুইজ ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক এমএমডি’র সিইও মনোনীত হন ২০০২ সালে। তবে তিনি মনে করেন টেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আর্থিক অবকাঠামোর জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তিনি বলেন, আমরা এমন এক ইন্ডাস্ট্রিতে আছি যার রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু কৌশল ও প্রয়োগ। কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সতর্ক করে দিয়ে বলেছিল এই খাতে গতি হ্রাস ক্রমশই দৃশ্যমান হচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে তিনি উপরোক্ত কথাটি বলেন। তিনি এর সাথে আরো যুক্ত করেন, প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা গতি মন্থরতার কোন কিছু দেখছি না। বছরের ৩য় চারমাসে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনোমিতে যদিও ৩.৯ শতাংশ হারে গতি এসেছে তবুও ফেডারেল রিজার্ভ এবং একক অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন, শেষ ৪ মাসে ও ২০০৮ সালে সামগ্রিক অবস্থার গতি কমে আসতে পারে। ইন্ডিয়ার ইনফরমেশন-টেকনোলজি কোম্পানিগুলো এক্ষেত্রে ক্রমশই যুক্তরাষ্ট্রের সফটওয়্যার রপ্তানিকারকদের চাপে ফেলে দিচ্ছে। যারা গত বছর ৩১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে।

তথ্যসূত্র:দৈনিক ইত্তেফাক

Dec 04

logitech-mouse.jpglogitech-easy-keyboard-de.jpg

 

 

 

 

কী-বোর্ড, মাউসে ওয়ারেন্টি থাকেনা। কাজের সময় কম্পিউটারের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এই ইনপুট ডিভাইস যখন তখন বিগড়ে যেতে পারে। গুনগত মান এবং এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা নিয়ে কম্পিউটার সোর্স নিয়ে এসেছে বিশ্বখ্যাত লজিট্যাক ব্র্যান্ডের কী-বোর্ড ও মাউস। স্টাইলিশ ও নির্ভরযোগ্য এই কী-বোর্ড এর সাথে স্পিল রেজিস্ট্যান্ট ডিজাইন। এর বাটনগুলো আরামদায়ক। দুঘর্টনাবশত কীবোর্ডের উপর কোন তরল পদার্থ পড়ে গেলেও আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। এর স্পিল রেজিস্ট্যান্ট প্রযুক্তি তরল পদার্থকে নীচের ছিদ্র দিয়ে বের করে দেয়। সুইস টেকনোলজী নিয়ে লজিট্যাক এর ইজি কীবোর্ড ডিলাক্স দেয় দীর্ঘদিন ব্যবহারের ও গুনগত মানের নিশ্চয়তা। লজিট্যাক অফিস হুইল মাউসে আছে ইজি স্ক্রল হুইল, আরামদায়ক বাটন। এটি হাতের মুঠোয় সহজেই এটে যাবে।

কম্পিউটার সোর্স লজিট্যাক ব্র্যান্ডের কীবোর্ড ও মাউসে দিচ্ছে ১ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা। কী-বোর্ডের মূল্য ৪৫০ টাকা এবং মাউসটির মূল্য ১৬০ টাকা মাত্র।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ:
৯১৪০১৫২, ৯১২৭৫৯২, ০১৭১৪১৬৪৭৪২
কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড

Nov 30

asus-logo44.jpgসময়ের সাথে সাথে বিশ্বব্যাপী স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ পিসির জনপ্রিয়তা ক্রমশই বাড়ছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কম্পিউটার শিক্ষায় শিশুদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এই নোটবুক পিসি বা ল্যাপটপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আসুসটেক কোম্পানি এ ধরনের ল্যাপটপ তৈরি করে থাকে। তাইওয়ানের এই কম্পিউটার কোম্পানিটি আশা করছে আগামী বছরের মধ্যে সারা বিশ্বব্যাপী তারা ৫ মিলিয়ন নতুন ই-পিসি বিক্রি করতে সক্ষম হবে। কোম্পানিটির একজন সিনিয়র কর্মকর্তা সম্প্রতি এ কথা জানিয়েছেন। এর ফলে তাদের বিক্রি পূর্বের অবস্থান থেকে দুই তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পাবে। আসুসটেক সম্প্রতি শিশুদের জন্য একটি নতুন ধরনের ই-পিসি বাজারজাত করেছে। সাশ্রয়ী মূল্যের এই নোটবুক পিসির মাধ্যমে তারা তাদের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলতে চাইছে। উত্তর আমেরিকাতে তাদের এই পিসির গ্রহনযোগ্যতা দারুণভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। যেখানে তাদের মার্কেট শেয়ার ১ শতাংশ পিছিয়ে ছিল। নতুন ধরনের এই নোটবুক পিসি বা ল্যাপটপের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসুসটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন লিন সাংবাদিকদের জানান, প্রতিমাসে প্রায় ২০ হাজার ই-পিসি বিক্রি হচ্ছে। এ সময় লিন তার কোম্পানির নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কথা সবাইকে অবহিত করেন। নতুন এই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আসুসটেক ২০০৮ সালের ভেতর প্রায় ৩ লক্ষ্য ই-পিসি বিক্রি করবে। ই-পিসি আসুসটেক ব্র্যান্ডের নাম বহন করে। এক্ষেত্রে তারা প্রতিযোগিতা করছে এসার কোম্পানির সাথে। এজন্য বিশ্বব্যাপী তাদের ব্র্যান্ডকে আরো জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে তারা এই ল্যাপটপকে ডেভেলপ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানিটি আশা করছে, তাদের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের ভেতরে তারা পৃথিবীর পঞ্চম বৃহং ল্যাপটপ পিসি তৈরিকারক কোম্পানিতে পরিণত হতে পারবে। আসুসটেকের শেয়ার ১.৮ শতাংশ থেকে তাইওয়ান ডলার ৯৮.৭০তে পড়ে গিয়েছিল। যা মূল টিএআইইএক্স শেয়ার ইনডেক্স এর ০.৬ শতাংশ। এই ব্র্যান্ডের ব্যবসায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাইওয়ানীজ কোম্পানিটি মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হবে এসার এবং ইলেক্ট্রনিক্স তৈরিকারক কোম্পানি হন হেই প্রেসিশন ইন্ডাষ্ট্রি কর্পোরেশনের কাছ থেকে। বিশেষ করে ম্যানুফ্যাকচারিং সাইডে। শুধুমাত্র নিজেদের ব্র্যান্ড নেম কম্পিউটারই নয়, আসুসটেক ল্যাপটপ তৈরি করে অ্যাপল এবং ডেল ইনকর্পোরেশনের জন্যও। উল্লেখ যে, এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে তাইওয়ান ডলারের মূল্য ৩২.৩।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

Nov 27

logo_tp_link.jpgবিশ্বখ্যাত টিপি-লিংক পণ্যের বাজারজাত করণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সমর্থ হওয়ায় বাংলাদেশে টিপি-লিংক ব্র্যান্ডের আমদানীকারক ‘এক্সেল টেকনোলজিস’ এর উদ্যোগে গতকাল স্থানীয় একটি হোটেলে জাকজমকপূর্ণ ভাবে ‘টিপি লিংক অ্যাওয়ার্ড সন্ধ্যা’ উৎযাপিত হয়। এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেড আয়োজিত অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সারাদেশব্যাপী বিস্তৃত ডিলারদের উপস্থিতিতে ডিলারদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। সারাদেশে ‘টিপি-লিংক’ ব্র্যান্ডের পণ্য সফলভাবে বাজারজাতকারী প্রায় ৫২ জন ডিলারকে অ্যাওয়ার্ড ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। সর্বমোট ৪টি ক্যাটাগরিতে অর্থাৎ মাস্টার রিসেলার, প্লাটিনাম রিসেলার, গোল্ড রিসেলার ও সিলভার রিসেলার হিসেবে অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে দেশব্যাপী টিপি-লিংক পণ্যের বাজারজাত-করণে তাদের ভূমিকাকে স্বীকৃতি প্রদান করা হলো। অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং বাংলাদেশে বিশ্বখ্যাত টিপি-লিংক পণ্যের আমদানীকারক এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব অলক সাহা স্বাগত বক্তব্যে জানান, ‘বিশ্বখ্যাত টিপি-লিংকের পণ্যসমূহ বাংলাদেশে বাজারজাত করতে পেরে আমরা গর্বিত। টিপি-লিংক চায়নাতে মার্কেট শেয়ারে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। বিশ্বজুড়ে নেটওয়ার্কিং পণ্য হিসেবে টিপি-লিংকের পণ্য স্বীকৃত। বাংলাদেশে কোয়ালিটি নেটওয়ার্ক পণ্য হিসেবে টিপি-লিংক সারাদেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ডিলারদের সমন্বিত অশংগ্রহণ আমাদেরকে আরো উৎসাহ যোগাবে।’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব গৌতম সাহা এবং ইসিস ডিস্ট্রিবিউশনের কান্ট্রি ম্যানেজার জনাব রেজাউনুর রব জিয়া। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেড এবং ইসিস ডিস্ট্রিবিউশনের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি সম্পাদন অনুসারে ইসিস ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ, মনিটর ও মাদারবোর্ড বিক্রি করবে এক্সেল। তাছাড়া ইন্টেলের ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে ইসিস এর সহায়তায় এক্সেল বাংলাদেশে ইন্টেলের পণ্যসামগ্রীও বিক্রয় করবে। এক্সেল টেকনোলজিস ডিসেম্বর মাস হতে তাদের আকর্ষণীয় বিজনেস ক্যাম্পেইন চালাবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
তথ্যসূত্র:দৈনিক ইত্তেফাক

Nov 26

supercomputer.jpgসম্প্রতি বাংলাদেশে আঘাত হেনেছে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সিডর। যার মহা প্রলয়ে এলোমেলো হয়ে গেছে বহু মানুষের জীবন। জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সবাই আজ চেষ্টা করছে ঘুরে দাঁড়ানোর। সাগর পাড়ের দেশ হিসেবে সামুদ্রিক নানা ধরনের প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলার অভিজ্ঞতা আমাদের বহুদিনের। এর আগেও অসংখ্যবার আমাদের জীবনে বিষাদের কালো ছায়া হয়ে এসেছে প্রকৃতি থেকে আসা নানা বিপদ। মারা গেছে বহু মানুষ। যার সঠিক পরিসংখ্যান অনেক সময়ই নিরূপন করা সম্ভব হয়নি। তবে এবারের ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ এ বাড়ি-ঘর, সহায়-সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হলেও প্রাণহানি ঘটেছে তুলনামূলক কম। বিশেষ করে সিডরের ভয়াবহতার আলোকে-এ কথা বলা যায়। ঘূর্নিঝড়ের পূর্বাভাস আগেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর কারণে সবাই সতর্ক হয়েছে। এতে সাহায্য করেছে সুপারকম্পিউটিং অনলাইন রিপোর্ট। যা তৈরি করেছিলো লুইজিয়ানা সি গ্রান্ট কলেজ প্রোগাম এবং তাদের এজস্টোর যৌথভাবে। এতে কাজ করেছেন হাসান মাশরিকি, যিনি এই কলেজের কোস্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী এক্সটেনশন প্রফেসর। তিনিই অফিসিয়ালি দেশে জরুরি বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে গ্রাফটি হস্তান্তর করেছিলেন। এর মাধ্যমে বিশেষ স্পর্শকাতর এলাকাগুলোর মানুষজনকে জরুরিভাবে সরিয়ে নেবার ফলে অসংখ্য মানুষকে প্রাণনাশের আংশকা থেকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছিলো।
সিডরের আঘাত হানার চিত্রটি তৈরি করা হয়েছিল এলএসইউ’র শেল কোস্টাল এনভায়রনমেন্ট মডেলিং ল্যাবরেটরিতে (সিইএমএল)। যেখানে সুপার কম্পিউটিং এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ ব্যাপারটি প্রসেস করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে মাশরাফি বলেন, এটা একটি চমতকার অভিজ্ঞতা। কারণ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের তত্ত্বীয় গবেষণাগুলোকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে পেরেছিলাম । যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের প্রয়োজনীয়তার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সহায় সম্পদ এবং জানমালের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন সঠিক সময়ে আবহাওয়ার সঠিক পূর্বাভাস।
তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

Nov 26

xo-laptop.jpgপ্রত্যেক শিশুর জন্য এক ল্যাপটপ বা ওয়ান ল্যাপটপ পার চাইল্ড (ওএলপিসি) প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় বিশ্বের শিশুদের জন্য ল্যাপটপ জোগাড়ের প্রচারণামূলক কর্মসুচির মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়েছে। এ কর্মসুচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার কোনো নাগরিক ১৮৮ ডলার দিয়ে ওএলপিসি প্রকল্পের একটি ল্যাপটপ কিনতে পারবেন। তবে তাঁকে আরেকটি ল্যাপটপ কিনে দান করতে হবে তৃতীয় বিশ্বের শিশুদের জন্য। এ বছরের শেষ পর্যন্ত এ কর্মসুচির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ওয়ান ল্যাপটপ পার চাইল্ড প্রকল্পের উদ্যোক্তারা বলছেন, ‘গিভ ওয়ান, গেট ওয়ান’ কর্মসুচি এখন নভেম্বর ২৬ তারিখে শেষ না হয়ে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখে শেষ হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ক্রেতারা দুটি ল্যাপটপের জন্য টাকা দিলে একটি বাসায় নিয়ে যেতে পারবেন। অন্যটি রুয়ান্ডা, আফগানিস্তান, কম্বোডিয়া, হাইতি ও মঙ্গোলিয়ার মতো দেশের শিশুদের জন্য পাঠানো হবে। ওয়ান ল্যাপটপ পার চাইল্ড প্রকল্পের মূল উদ্যোক্তা নিকোলাস নেগ্রোপন্টে বলেন, ‘এই ল্যাপটপ কিনে তৃতীয় বিশ্বের শিশুদের জন্য ল্যাপটপ পাঠানোতে আমরা ক্রেতাদের কাছ থেকে অভুতপূর্ব সাড়া পেয়েছি।’ তিনি জানান, অনেকেই এ প্রচারণামূলক কর্মসুচির আওতায় আরও অনেক ল্যাপটপ কিনতে চেয়েছে। অনেকেই সংগঠন বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে যোগাযোগ করেছে। তাই এ কর্মসুচির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। নেগ্রোপন্টে বলেন, ‘আমরা চাই ছুটির মৌসুমে বেশি সংখ্যক মানুষ যাতে এ কর্মসুচিতে অংশ নিতে পারে।’ আরেকটি বিক্রয় কর্মসুচিতে দাতাগোষ্ঠীরা ১০০ ল্যাপটপের একটি লট কিনতে পারবে। এগুলো তারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী দেশে পাঠাতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে ল্যাপটপগুলোর দাম পড়বে ২৯৯ ডলার। ল্যাপটপগুলো এক্সও ল্যাপটপ নামে পরিচিত। এগুলো টেকসই ও পানিরোধী। সুর্যশক্তিসহ বিভিন্ন বিকল্প শক্তিতে এগুলো চালানো যায়। এর পর্দা সুর্যালোকে পড়ার উপযোগী। ফলে খোলা আকাশের নিচেও ল্যাপটপগুলো ব্যবহার করা যায়। ওএলপিসির মূল লক্ষ্য ১০০ ডলার বা এর নিচের দামে ল্যাপটপগুলো বিক্রি করা। কিন্তু এখনো সে লক্ষ্য বাস্তবায়িত হয়নি। এখন ল্যাপটপগুলোর দাম পড়ছে ১৮৮ ডলার।
তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথমআলো

Nov 24

hedi-mobile.jpgকম্পিউটার সোর্স নিয়ে এসেছে হেডি ব্র্যান্ডের ৩.২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ফোন হেডি H787। এতে আছে চলতি সময়ের আধুনিক সব ফিচার। অবসরে গান শুনতে আছে এমপিথ্রি ও এমপিফোর প্লেয়ারসহ ভিডিও করার সুবিধা। এতে পাবেন এফএম রেডিওর মজা। সাথে এফএম রেডিও প্রোগ্রাম রেকর্ড করারও সুযোগ রয়েছে। স্পাই রেকর্ডিং অপশন দিয়ে কল রেকর্ড করা যাবে। এতে আছে লাউড স্পিকার সুবিধা। এটি কম্পিউটারে ওয়েব ক্যাম হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। সুবিন্যস্ত বাটনের সাথে আছে ২.৪ ইঞ্চি টাচ স্ক্রীণ মনিটর। ডাটা কানেক্টিভিটির জন্য আছে ওয়াপ, জিপিআরএস , ব্লু-টুথ সংযোগ। এটি দিয়ে ভিজিটিং কার্ড রেকর্ড করে রাখা যাবে। আছে প্লাগ এন্ড প্লে ইউএসবি সংযোগ সুবিধা। ৮৭ মেগাবাইট বিল্টইন মেমোরী, কার্ড স্লটে ২ জিবি পর্যন্ত মেমোরী কার্ড ব্যবহার করা যাবে। লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারী দিয়ে কথা বলা যাবে একটানা ৪ ঘন্টা এবং স্ট্যান্ড বাই সময় ২৫০ ঘন্টা।
বাই ৪৮ নীতির আওতায় প্রতিটি সেটে কম্পিউটার সোর্স দিচ্ছে ১ বছরের ওয়ারেন্টি। হেডি ঐ৭৮৭ মডেলের দাম পড়বে ৮,৯৫০ টাকা এবং প্রতিটি সেটের সাথে ৫১২ মেগাবাইট মেমোরী কার্ড ফ্রি।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন-

৯১৪০১৫২, ৯১২৭৫৯২, ০১৭১৩৩৬৫২০৪।

Nov 24

msi-motherboard-g33m.jpgপ্রযুক্তি আর স্টাইলের সমন্বয় নিয়ে কম্পিউটার সোর্স নিয়ে এসেছে জনপ্রিয় মাদারবোর্ড নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এমএসআই G33M মাদারবোর্ড। এটি যথারীতি কোর টু কোয়াড, কোর টু ডুয়ো, পেন্টিয়াম, সেলেরন প্রসেসর সাপোর্ট করে। এতে ব্যবহার হয়েছে ইন্টেল জি৩৩ এক্সপ্রেস চিপসেট। এটি ডুয়াল চ্যানেল ডিডিআর২ সাপোর্ট করে। এতে সর্বোাচ্চ ৮জিবি পর্যন্ত মেমোরী ব্যবহার করতে পারবেন। এতে ২টি পিসিআই এক্সপ্রেসসহ ১৬টি স্লট রয়েছে। হাই ডেফিনেশন অডিও সাপোর্ট করতে এতে আছে ৭.১ চ্যানেল অডিও। এই মাদারবোর্ড এ আছে বিল্টইন ল্যানকার্ড, ফলে নেটওয়ার্কিং সুবিধা পাচ্ছেন এক প্যাকেজেই। বর্তমান সময়ের চাহিদার কথা ভেবে এতে আছে ১২টি ইউএসবি পোর্ট সুবিধা। এটি হালের সর্বাধুনিক অপারেটিং সিস্টেম মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ভিসতা সাপোর্ট করে। লাইভ আপডেট ফিচার দিয়ে অনলাইনে বায়োস আপডেট রাখতে পারবেন এবং নতুন ভার্সনের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এমএসআই এর ডট এক্সপ্রেস দিয়ে ওভারককিং করা যায় এবং সিপিইউ ও মেমোরী স্পিড এর সর্বোচ্চ পারফর্মেন্স পাবেন। হাইটেক চিপ ব্যবহারের কারনে এই মাদারবোর্ড উইন্ডোজ ৯৮ এবং উইন্ডোজ এমই অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট করবে না।

বাংলাদেশে এমএসআই ব্র্যান্ডের অনুমোদিত বিজনেস পার্টনার কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড দিচ্ছে প্রতিটি মাদারবোর্ডে ২ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা। মাদারবোর্ডটির মূল্য ৮,২০০ টাকা মাত্র।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন-

কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড
৯১৪০১৫২, ৯১২৭৫৯২, ০১৭১৩৩৬৫২০০।