Nov 30
পরিবেশ দুষণ রোধে এখন পশ্চিমা বিশ্বে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি বা সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো এসব জ্বালানির দাম প্রচলিত জ্বালানি যেমন তেল, কয়লা বা গ্যাসের চেয়ে বেশি পড়ে। সবুজ জ্বালানি উংপাদন খরচ কমিয়ে আনার জন্য সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। গুগলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিনিয়োগের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা পরিবেশবান্ধব উপায়ে অনেক বেশি বিদ্যুং উংপাদন করতে চাই।’ তিনি সবুজ প্রযুক্তিতে এক গিগাওয়াট বিদ্যুং উংপাদন করার কথা বলেন। এক গিগাওয়াট বিদ্যুংকেন্দ্র দিয়ে সানফ্রান্সিসকোর মতো একটি শহরের বিদ্যুং চাহিদা মেটানো যাবে। গুগল জানায়, তারা সৌরবিদ্যুং, বায়ুকল থেকে উংপাদিত বিদ্যুং ও জিওথার্মাল বিদ্যুংকেন্দ্র গড়তে বিনিয়োগ করবে। এ জন্য গুগল এ খাতে অভিজ্ঞ ২০ থেকে ৩০ জন প্রকৌশলীকে কাজে লাগাবে। গুগল আশা করছে, এসব বিদ্যুংকেন্দ্র থেকে উংপাদিত বিদ্যুতের দাম কয়লা থেকে উংপাদিত বিদ্যুতের চেয়ে কম পড়বে। গুগলের আরেক প্রতিষ্ঠাতা সার্গেই ব্রিন বলেন, ‘সস্তা সবুজ জ্বালানি পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অনেক স্থানে এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’ ল্যারি পেজ আশা করছেন কয়েক বছরের মধ্যেই সবুজ বিদ্যুতের উংপাদন শুরু হবে। আর এর প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের খরচ প্রচলিত বিদ্যুতের তুলনায় কম হবে। গুগলের জনসেবামূলক খাত গুগলডটঅরগের মাধ্যমে এ বিনিয়োগ করা হবে। গুগলডটঅরগ আগে থেকেই স্বাস্থ্যসেবা ও দারিদ্র্য নিয়ে কাজ করছে। সবুজ জ্বালানি নিয়ে তারা ইতিমধ্যেই ক্যালিফোর্নিয়ার ইসোলার ইনক ও মাকানি পাওয়ার ইনকের সঙ্গে কাজ করা শুরু করেছে। গুগলের প্রতিষ্ঠাতারা জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্টের সবুজ জ্বালানির কোম্পানি হওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই। তবে এ খাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশীদার তারা হতে পারে। গুগলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ব্রিন পাঁচ বছর আগে নিজের জন্য একটি হাইব্রিড গাড়ি কেনেন। তাঁর ও পেজের জন্য কেনা জেট বিমানটিকে নিয়ে এখন অস্বস্িথতে আছেন তাঁরা। কারণ নিজের গাড়ির পরিবেশ দুষণ রোধ করতে পারলেও নিজের বিমানের দুষণ কমাতে পারছেন না। ব্রিন বলেন, ‘আমরা জেট বিমানের জন্য জৈব ডিজেলের পরীক্ষামূলক ব্যবহারের কথা শুনেছি। প্রযুক্তি সব সমস্যার সমাধান দেবে বলে আমি আশা করছি।’
তথ্যসূত্র:দেনিক প্রথম আলো
Nov 30
আশ্চর্যজনকভাবে ভূমিকা উলট-পালট হওয়ার কারণে ন্যানোটেকনোলজি বিজ্ঞানীরা বিপদের সম্ভাবনা দেখছেন সাধারণ মানুষের মাঝে। বিশেষভাবে তাদের কাজের কিছু কিছু অংশে। সম্প্রতি এরকম একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। ন্যানোটেকনোলজিকে বিজ্ঞানীরা পরিমাপ করে থাকেন মানুষের চুলের দশ হাজার ভাগের একভাগ হিসেবে। যা ভার্চুয়ালি প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে একশতের’ও বেশি ভোক্তা পণ্য সামগ্রীতে ইতিমধ্যে ন্যানো- ম্যাটারিয়েল স্থান করে নিয়েছে। এর অধিকাংশের ভেতরেই রয়েছে কসমেটিকস, সানস্ক্রীন এবং ক্লিনিং প্রোডাক্টস। যাতে আছে মাইক্রোসকপিক পার্টিকল। কিন্তু এটাই প্রথম পদক্ষেপ, যেখানে ন্যানো’র পৃষ্ঠপোষকরা বলেছেন এর বিবর্তন সম্পর্কে। যার প্রভাব তুলনা করা হচ্ছে টেকনোলজির ছোট্ট স্কেলের মাধ্যমে। ন্যানো ম্যাটারিয়েলগুলো অনেক হালকা ও শক্তিশালী অন্য যেকোন কিছুর চেয়ে। এর বিবর্তন ব্যবহৃত হচ্ছে অটো এবং উড়োজাহাজ ইন্ডাস্ট্রির জন্য। একই সাথে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রযুক্তির অন্যান্য ক্ষেত্র যেমন রোবটিক্স, কম্পিউটার, ক্লথিং, এনার্জি স্টোরেজ এবং এয়ার পিউরিফিকেশনে। সাম্প্রতিক সময়ে ৩৬৩ জন ন্যানোটেকনোলজি বিজ্ঞানী এবং ইঞ্জিনিয়ার যুক্তরাষ্ট্রের ১০১৫ জন প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের উপর দুইটি জরিপ চালান। গবেষকরা এখানে আবিষ্কার করেন, ন্যানো বাহুর সক্ষমতা বা গতি এবং প্রাইভেসি হারানোর কারণ হতে পারে। তারা বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছেন মেডিসিন, পরিবেশগত পরিচ্ছন্নতা এবং ন্যাশনাল ডিফেন্সে। একই সাথে তারা মনোযোগ দিয়েছেন সাধারণ মানুষের ঝুঁকির প্রতি। যা তৈরি হয়েছে ন্যানো টেকনোলজির কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে। গবেষকরা এখানে দুটি জিনিষ তুলে ধরতে চেয়েছেন। এক. ন্যানো সম্পর্কিত স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি এবং দুই. এই ক্ষেত্রে যথেষ্ট গবেষণা না হওয়া। একই সময়ে মিডিয়ায় যথাযথভাবে ব্যাপারটি উপস্থাপিত না হওয়া। গবেষকরা স্বাস্থ্যগত ব্যাপারে ন্যানো’র বিপদ সম্পর্কে যে কোন প্রভাব পর্যবেক্ষণ করছেন। যেমন ন্যানো রোবট যা দেশের ভেতরে অকেজো টিস্যুগুলো মেরামত করতে যুক্ত হতে পারে। ন্যানো ম্যাটারিয়েল নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে যে এটা স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য বিষাক্ত হতে পারে। ন্যানোটোকনোলজির একজন বিশেষজ্ঞ এবং ইলিয়নিস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির হ্যায়োটেকনোলজি ইনস্টিউট এবং হিউম্যান ফিউচার এর প্রধান নাইগেল ক্যামেরন বলেছেন, ন্যানো খুব ধীরে এবং নিয়মিতভাবে কাজ করে। সামাজিক এবং রাজনৈতিকভাবে ব্যাপরটি নিয়ে এখনই সচেতন হওয়া দরকার বলে আমরা মনে করি।
তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
Nov 24
সম্প্রতি মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষ একটি বৃহং পাইরেটেড সিডির ল্যাবরেটরি খুঁজে বের করেছে। গোপন অপটিক্যাল ডিস্ক সমৃদ্ধ এই ব্যক্তিগত ল্যাবটি স্মরণকালের সর্ববৃহং ল্যাব মালয়েশিয়ায়। প্রায় ৫২ মিলিয়ন ডলারের পাইরেটেড সিডি জব্দ করা হয়েছে যার পুরোটাই পরে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। মোশন পিকচার এসোসিয়েশন (এমপিএ) এর আঞ্চলিক পরিচালক মাইক এলিস বলেছেন, পাইরেটেড সিডি জব্দ করার লক্ষ্যে গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ২০ জন অফিসারের একটি টিম পুরো মালয়েশিয়া জুড়ে কাজ করে আসছিলো।
মালয়েশিয়ান স্থানীয় ট্রেড এবং কনজ্যুমারস এফেয়ার্স মন্ত্রণালয় এই অভিযানটি পরিচালনা করে। এলিস বলেন, কপিরাইট চোরদের বিরুদ্ধে এই অভিযানে মালয়েশিয়ান ফেডারেশন প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে। এই পাইরেট অপটিক ডিস্ক বার্নার ল্যাবটি কুয়ালালামপুরের নিকটবর্তী একটি এলাকায় সনাক্ত করা হয়। অভিযানকারী দলটি তথ্য পেয়েই ঝটিকা অভিয়ান চালায় বাড়িটিতে। এ সময় ল্যাব থেকে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে দু’জন মহিলা শ্রমিক রয়েছে যাদের বয়স যথাক্রমে ২৪ এবং ৪০। সেই সাথে ৩৪০টি অপটিক্যাল ডিস্ক বার্নার উদ্ধার করা হয় যা এই বছরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এই বার্নারগুলো থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৮ মিলিয়ন পাইরেটেড ডিস্ক তৈরি করা সম্ভব হতো বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এই ল্যাবটি গত এক বছর ধরে পাইরেটেড সিডি তৈরি করে আসছিল এবং স্থানীয় বাজারে এটা একটি বড় ধরনের ভূমিকা রেখে আসছিল পাইকারী সিডির বাজারে। পাইরেটেড করা সিডির মধ্যে ছিলো এমপিএ এর সদস্য কোম্পানি রাতাটোউলি, রিসাইডেন্ট এভিল এবং থার্টি ডে’স অফ নাইট। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ২০০৫ সালে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পাইরেসিতে এমপিএ স্টুডিওসহ আর্থিক ক্ষতির পরিমান প্রায় ৬.১ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ২.৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে বুট লিগিং এর কারণে, ১.৪ বিলিয়ন অবৈধ কপি এবং ২.৩ বিলিয়ন ইন্টারনেট পাইরেসির কারণে। আঞ্চলিকভাবে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্ষতির পরিমাণ ১.২ বিলিয়ন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে ১.৩ বিলিয়ন ডলার। বিভিন্ন দেশে ইতোপূর্বে এ ধরনের বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ধরাও পড়েছে অনেকে। কিন্তু পুরোপুরিভাবে এটা বন্ধ হয়নি কখনোই। বিশেষ করে আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশে পাইরেটেড ডিস্ক নিয়ে মাঝে মধ্যে কথাবার্তা শোনা গেলেও সুরাহা হয়নি কখনই। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পাইরেটেড ব্যবসা বন্ধ করতে হলে অরিজিনাল ডিস্কের দাম সাধারনের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনতে হবে। সেই সাথে চালাতে হবে প্রয়োজনীয় প্রচার।
তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
Nov 23
গ্রাহকদের চাহিদার ভিত্তিতে খুব বেশিদিন আর ইন্টারনেট সেবা দেওয়া সম্ভব হবে না। ২০১০ সাল নাগাদ এ সংকট চরম আকার ধারণ করবে। নতুন এক গবেষণায় এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেমার্টেস রিসার্চ এ গবেষণা করে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, নেটওয়ার্কের গতি এত কম যে একটা সময় গ্রাহকদের আর ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে না। এই সংকট এড়াতে হলে ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের গতি বাড়াতে হবে। আর এতে খরচ পড়বে ১৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের ধীরগতির কারণে গ্রাহকেরা তাদের পুরোনো ডায়াল আপ পদ্ধতিতে ইন্টারনেটের সংযোগ নিতে আগ্রহী হতে পারে। কেননা, এখন অনলাইনে কেনাকাটা করতে বা ইউটিউব থেকে সর্বশেষ ভিডিওটি ডাউনলোড করতে অনেক সময় লাগে। প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, আর কোনো আমাজন, গুগল বা ইউটিউব গড়ে উঠবে না। গ্রাহকের চাহিদার অভাবে নয়, বরং নেটওয়ার্কের ধীরগতির কারণে। আরেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কমস্কোর জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৭৫ শতাংশ দিনে গড়ে ১৫৮ মিনিট অনলাইন ভিডিও দেখে। গত মে মাসে অনলাইনে ৮৩০ কোটি ভিডিও দেখেছে মার্কিনিরা। কিন্তু নেটওয়ার্কের ধীরগতির কারণে এই সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসছে।
তথসূত্র: দৈনক প্রথমআলো
Nov 18
সিলিকন চিপ তৈরির প্রক্রিয়া চিপগুলোর মতোই জটিল। চিপ তৈরির একটি কারখানা গড়তে কোটি কোটি ডলার খরচ হয়। আর চিপ তৈরির কারখানাগুলোর মধ্যে কাজ করার অভিজ্ঞতাও অদ্ভুত। সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. পিটার উইলসন জানান, ‘চিপ কারখানার পরিবেশের সঙ্গে বিশ্বের আর কোনো জায়গার মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ তিনি একটি চিপ তৈরির কারখানার বর্ণনা দিয়েছেন বিস্নয়ের সঙ্গে।
চিপ কারখানার ধবধবে সাদা দেয়াল, পরিশোধিত দেয়াল ও অপার্থিব হলুদ আলো দেখলে মনে হবে এটা বুঝি কোনো মহাশুন্য কেন্দ্র। বাইরে তাপমাত্রা যা-ই হোক না কেন, কারখানার ভেতরে তাপমাত্রা স্িথর। ভেতরে ধুলিকণার চিহ্নমাত্র নেই। কারখানার কে কোন দেশের টের পাওয়ার কোনো উপায় নেই। সবার মুখেই মুখোশ। আর সবারই মাথা থেকে পা পর্যন্ত পরা সাদা পোশাক।
উইলসন বলেন, ‘বাইরে আমরা জুতায় ময়লা লাগল কি না, এ নিয়ে চিন্তা করি। মোবাইল ফোনের পর্দার ধুলো পরিষ্ককার করি। ধুলো-ময়লা নিয়ে এর চেয়ে বেশি হয়তো চিন্তা করি না। কিন্তু চিপ কারখানায় আমরা ধুলো-ময়লার হিসাব করি অণু (অ্যাটম) হিসেবে। অল্প কিছু অণুই আমাদের চিন্তার কারণ হয়। চিপ তৈরির সময় কয়েকটি ধুলিকণাই তা নষ্ট করে ফেলার জন্য যথেষ্ট।’
মাইক্রোচিপ তৈরি হয় ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ বিশুদ্ধ সিলিকন দিয়ে। সিলিকন পাওয়া যায় সমুদ্রতীরের সাধারণ বালু থেকে। চিপগুলো তৈরি হয় কল্পনাতীত পরিষ্ককার পরিবেশে। চিপ কারখানার এই পরিবেশ হাসপাতালের পরিবেশের চেয়ে এক হাজার গুণ বিশুদ্ধ। পুরোপুরি পরিষ্ককার বা বিশুদ্ধ না হলে কাউকে চিপ কারখানায় ঢুকতে দেওয়া হয় না। তাই বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই কাউকে চিপ কারখানায় ঢুকতে দেওয়া হয়। পেছনে ফেলে আসতে হয় পোশাক, গয়না এমনকি সাজসজ্জাও।
প্রথম শ্রেণীর চিপ যেখানে তৈরি করা হয় সেখানে এক ঘন মিটার বাতাসে বড়জোর একটি ক্ষুদ্র ধুলিকণা থাকতে পারে। অন্যদিকে যেখানে ওপেন হার্ট সার্জারি করা হয় সেখানে এক ঘন মিটার বাতাসে ২০ হাজার ক্ষুদ্র কণা বা পার্টিকল থাকে।
চিপ তৈরির জন্য বিশেষায়িত সিলিকন প্রক্রিয়াজাত করে বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। এরপর এগুলো চিপ কারখানায় পাঠানো হয়। এই বিশেষায়িত সিলিকন ‘ওয়েফার’-এ চারটি স্তর থাকে। চিপ তৈরির সময় দৈর্ঘ্য-প্রস্েথর হিসাব হয় ন্যানোমিটারে, যেমন ৪৫ ন্যানোমিটার, ৫৫ ন্যানোমিটার। এক ন্যানোমিটার এক মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক অংশ। চিপ কারখানা বসাতে যেহেতু কোটি কোটি ডলার খরচ হয় তাই এটি কখনই বন্ধ রাখা হয় না।
তথ্যসূত্র:দৈনিক প্রথম আলো
Nov 07
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে ড্রাইভারদের মস্ত মজা। গাড়িতে গ্যাস ভরবেন অথচ পকেট থেকে মানিব্যাগ বা ক্রেডিট কার্ড বের করবেন ন। শুধুমাত্র স্ক্রানার মেশিনে আঙ্গুর ছুইয়ে দিয়ে দে টান গাড়ি নিয়ে। ভাবছেন গ্যাস কোম্পানির কি টাকা বেশি হয়ে গেছে যে কাষ্টমারদের গ্যাস ফ্রি দিচ্ছে। আসলে ওই আঙ্গুলের স্পর্শের ভিতরেই যত রহস্য। বিখ্যাত শেল কোম্পানি কাষ্টমারদের জন্য গাড়িতে ফুয়েল নেবার জন্য দারুন একটা ব্যাবস্থা নিয়েছে। বায়োম্যাট্রিক্স সিস্টেমের মাধ্যমে ড্রাইভাররা ফুয়েল ভরার বিল পরিশোধ করছেন। এই সিস্টেমে ড্রাইভার যখন তার আঙ্গুল স্ক্যানার মেশিনে স্পর্শ করবেন সরাসরি এটা কাষ্টমারস চেকিং এর সাথে বা ক্রেডিট কার্ড একাউন্টস এ লিংক হয়ে যাবেন পেমেন্টের জন্য। সে কারনে এটা আগে থেকে শেলের গ্যাস স্টেশনে ইনস্টল করতে হয়। এ ব্যাপারে শেলের গ্লোবাল রি-ফুয়েলিং-এর ম্যানেজার ক্রিস সুশে বলেন, যখন আমরা কাষ্টমারদের সাথে কথা বলি তখন সবাই চায় খুব সহজে এবং তাড়াতাড়ি ফুয়েল ভরতে। যেন তাদের ভ্রমন আরো দ্রুত এবং স্বস্তিদায়ক হয়। এজন্য তারা অতিরিক্ত কোন ঝামেলা পোহাতে চায় না। কাষ্টমাররা প্রাথমিকভাবে গ্যাস স্টেশনের কায়োনক এর ফিংগার প্রিন্ট স্ক্যান করবে এবং তাদের বিল প্রদান সংক্রান্ত তথ্য দোকানে বা অনলাইনে লিংক করতে পারবে। বিল পরিশোধ করার এই অভিনব বায়োম্যাট্রিক্স ডিভাইসটি তৈরী করেছেন সান-ফ্রান্সিসকো ভিত্তিক একটা কোম্পানি যাদের নাম পে বাই টাচ। তারা শেলের প্রযুক্তিগত বিভাগের একটা অংশ। শেল ফুয়েলকাষ্ট মিডিয়া ইন্টারন্যাশেনাল এলএলসি’র সাথে একটা চুক্তি করেছে। যার মাধ্যমে তারা পাম্পের মাধ্যমেই স্থানীয় সংবাদ, আবহাওয়া এবং খেলা ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে পরিবেশন করবে। স্থানীয় এনবিসি স্টেশন থেকে কনটেন্ট সহ বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য শেলকে টাকাও দিবে ফুয়েলকাষ্ট। এ জন্য প্রায় তিনশ শেল স্টেশনে মনিটর স্থাপন করা হয়েছে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে। বস্তুত: উন্নত বিশ্বে গ্যাস স্টেশনগুলো হ্যান্ড-হেলড ডিভাইস সমূহ পরীক্ষা- নিরিক্ষার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। যার মাধ্যমে কাষ্টমাররা তাদের গাড়ির জানালা দিয়েই ফুয়েল নেবার বিল পরিশোধ করতে পারছে। হাই-টেকনোলজির ব্যাবহার সবাই করছে কাষ্টমারদের আকৃষ্ট করার জন্য। যার মাধ্যমে তারা অন্যান্য প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলতে চাইছে এবং ফুয়েল কাষ্ট ডিল থেকে আরো বেশি লাভ তুলে নিতে চাইছে। শেল বলছে, তারাই প্রথম কোম্পানি যারা বায়োম্যাট্রিক্স সিস্টেম ব্যাবহার করছে।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক
Sep 08
ঢকার বিসিএস কম্পিউটার সিটির রিশিত কম্পিউটার্সে আজ থেকে শুরু হলো ডিজিটাল উংসব। এই উংসবে বিভিন্ন নির্মাতার তৈরী নানা মডেলের ল্যাপটপ কস্পিউটার এবং ডিজিটাল ক্যামেরা পাওয়া যাবে। এইসময় প্রত্যেকটি পন্যের সাথে উপহার পাবেন ক্রেতারা। ডিজিটাল ক্যামেরার সাথে এক বছরের সম্পূর্ণ ওয়ারেন্টি এবং উপহার হিসেবে এক গিগাবাইটের মেমোরি কার্ড এবং ক্যামেরা স্ট্যান্ড দেওয়া হচ্ছে। উংসব চলবে ১৫ ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
তথ্যসুত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
Sep 08
তৃনমূল মানুষের সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে আইসিটিকে ব্যাবহার করার উদ্দেশ্য নিয়ে টাঙ্গাইলের এঙ্গেলায় যাত্রা শুরু করলো মাল্টিমিডিয়া নলেজ সেন্টার (এম কে সি)। এই সেন্টারে আছে একটি কম্পিউটার ল্যাব এবং ইন্টারনেট কানেকশন বিশিষ্ট একটা লাইব্রেরী। কম্পিউটার ল্যাবটাকে ব্যাবহার করা হবে এখানকার মানুষের মধ্যে আইসিটি বিষয়ে সচেতনতা তৈরী, কম্পিউটার সাক্ষরতা এবং তথ্য প্রযুক্তিগত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে। লাইব্রেব্রিতে ইন্টারনেট কানেকশন বিশিষ্ট কম্পিউটার ছাড়া রয়েছে জাতিয় দৈনিক এবং নারী-শিশু এবং অন্যান্য বিষয়ভিত্তিক বেশ কিছু পত্রিকা। ইতিমধ্যে এই সেন্টারটি এলাকাতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । এলাকার কর্মজীবি মানুষ, স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সহ নানা ধরনের মানুষ ইন্টারনেট ব্যাবহার, পত্রিকা পড়া সহ নানা প্রয়োজনে এখানে নিয়মিত আসছেন। এছাড়া তরুন-তরুনীরা তাদের নিজেদের প্রয়োজনে এখানে আসছে প্রযুক্তিগত শিক্ষা লাভ করার জন্য। এমনকি জেলা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের তথ্য জোগারের উদ্দেশ্যে নিয়মিত ভীড় করছে এখানে। ইউনেস্কোর সহায়তায় এই সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করেছে ম্যাস-লাইন মিডিয়া সেন্টার।
তথ্যসুত্র:৭ই সেপ্টেম্বর,দৈনিক ইত্তেফাক
সাম্প্রতিক মতামত