Dec 04

smart-communication.gifgrameen.gif

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পকে জাপানের মত উন্নত‘দেশে সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং আউটসোর্সিং সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশের গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিঃ এবং জাপানের স্মার্ট কমিউনিকেশন্সের মধ্যে গত ২ ডিসেম্বর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশীপ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিমিটেডের সিইও কাজী ইসলাম এবং স্মার্ট কমিউনিকেশন্স এর সিইও মাসাকি এবে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিস্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে স্মার্ট কমিউনিকেশন্স এবং গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিঃ উভয়ে স্ট্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিঃ এর সিইও কাজী ইসলাম তার বক্তব্যে আশা প্রকাশ করেন, ‘সারাবিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে ‘স্মার্ট কমিউনিকেশন্স’ ব্রীজ আকারে কাজ করে যাবে। সেই সাথে জাপানে দিন দিন তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কাজের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এক্ষেত্রে এই চুক্তির ফলে জাপানের বিশাল বাজারে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণ সল্যুউশন্স কাজ করার সুযোগ পাবে। জাপান সহ বিভিন্ন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কাজের অর্ডার সংগ্রহ করবে স্মার্ট কমিউনিকেশন্স এবং গ্রামীণ সল্যুউশন্স তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাপানের বাজারে সফটওয়্যার রপ্তানি করতে সক্ষম হবে’। জাপানের স্মার্ট কমিউনিকেশন্স এর সিইও মাসাকি এবে জানান, ‘জাপানে তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কাজের যথেষ্ট চাহি দা রয়েছে এবং বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সফটওয়্যার রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। স্মার্ট কমিউনিকেশন্স জাপানের বাজারে বাংলাদেশের সফটওয়্যার শিল্পকে যথাযথভাবে পরিচিতকরণের মাধ্যমে আউটসোর্সিং কাজে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সেই সাথে জাপানে তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের দক্ষ প্রযুক্তিকর্মীদের চাকরির সুযোগ তৈরিতে সহযোগিতা করে যাবে। বাংলাদেশের সফটওয়্যার শিল্পকে বহিঃবিশ্বে বিশেষ করে জাপানে সঠিকভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে আউটসোর্সিং ভিত্তিক বিভিন্ন কাজসমূহ করতে এই পার্টনারশীপ চুক্ত বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশাপ্রকাশ করা হয়। গ্রামীণ ব্যাংক ভবনে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গ্রামীণ সল্যুউশন্স লিঃ এর এমডি নাজনীন সুলতানা, গ্রামীণ ফান্ড এর ভারপ্রাপ্ত এমডি এমদাদুল হক এবং গ্রামীণ কল্যাণের এমডি শেখ এবদুদ দইয়ান উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

Dec 04

icpc_logo.jpgবছরের এ সময়টাতেই আমাদের দেশের কম্পিউটার প্রোগ্রামাররা একটু নড়েচড়ে বসেন। কারণ এসিএম আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার (আইসিপিসি) বিভিন্ন আঞ্চলিক পর্বগুলো এ সময়ই শুরু হয়। এশিয়া অঞ্চলের ঢাকা পর্বের প্রতিযোগিতার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ ডিসেম্বর। ঢাকার ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এর আয়োজন করবে। গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন তথ্য জানানো হয়।সম্মেলনে জানানো হয় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা পর্বের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এসিএমের পূর্ণ অর্থ−অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি। কম্পিউটারবিষয়ক কাজ করে বা পড়াশোনা করে এমন মানুষই মূলত এসিএমের সদস্য হয়ে থাকেন। আমাদের দেশের কম্পিউটার শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ সৃষ্টি ও দক্ষ প্রোগ্রামার তৈরির লক্ষ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরে। এবারে ঢাকা পর্বে বাংলাদেশের ৩০টি এবং চিনের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৫টি প্রোগ্রামিং দল অংশ নেবে বলেসংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। প্রতিযোগিতায় এ বছরই প্রথমবারের মতো ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহার করা হবে। এসব ল্যাপটপ সরবরাহ করবে আসুস এবং বাংলাদেশ এর পরিবেশক গ্লোবাল ব্র্যান্ড বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতার কার্যনির্বাহী সভাপতি সৈয়দ আকতার হোসেন জানান, এবারের প্রতিযোগিতাকে যেকোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সঙ্গে তুলনা করা যাবে। প্রতিযোগিতার পুরো নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা পরিচালনা করা হবে পিসি স্কয়ার সফটওয়্যারের মাধ্যমে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্িথত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম লুতফর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম কায়কোবাদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ এল হকসহ অনেকে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথমআলো

Dec 04

bcs-election.jpgবাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতিকে (বিসিএস) দেশব্যাপী বিস্তৃত করা, অভ্যন্তরীণ তথ্যপ্রযুক্তি বাজারকে আরও বড় করাসহ সাংগঠনিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেছেন, সংগঠনটির নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীরা। দেশের কম্পিউটার খাতের সবচেয়ে প্রভাবশালী এ সংগঠনের ২০০৮-০৯ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের প্রার্থী পরিচিতি সভায় গতকাল শনিবার প্রার্থীরা এমন অঙ্গীকার করেন। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৫ জন প্রার্থী তাঁদের পরিচিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। বিসিএসের গত দুটি নির্বাচনে প্রার্থীরা প্যানেলভুক্ত হয়ে নির্বাচন করলেও এবার কোনো প্যানেল নেই। তাই পরিচিতি সভায় ১৫ প্রার্থী আলাদাভাবে তিন মিনিট করে বক্তব্য দেন এবং প্রত্যেকের নিজস্ব পরিকল্পনা তুলে ধরেন। পরিচিতি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান স্বদেশ রঞ্জন সাহা ও সদস্য আজহার এইচ চৌধুরী। বিসিএসকে ঘিরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা বলেন প্রার্থীরা। অনেকেই বিসিএসের আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে সুসংগঠিত করার কথা বলেন। এ সমিতির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথাও বলা হয়। সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে কথাবার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে পরিচালনা করা, নিয়মিত মুখপত্র প্রকাশ করা, বিসিএসের নিজস্ব ভবন নির্মাণ, দেশব্যাপী কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ানো, ব্যবসায়ীদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন, কম্পিউটার খাতে নিয়োজিত ব্যবসায়ীদের নিয়ে কম্পিউটার ব্যবসায়ী পর্যবেক্ষণ সেল গঠন, বিসিএসের দপ্তরকে আরও গতিশীল ও দক্ষ করে তোলা প্রার্থীদের বক্তব্যে প্রাধান্য পায়। বিসিএসের এ নির্বাচন ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এতে মোট সাতটি পদের জন্য ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন মোস্তাফা জব্বার, কাজী আশরাফুল আলম, মো. মনিরুল ইসলাম মনি, ইউসুফ আলী শামীম, এম মারুফ আলম, মো. শাহিদ উল-মনির, এ টি শফিক উদ্দিন আহমদ, মো. আশরাফুজ্জামান, মজহার ইমাম চৌধুরী পিনু, মতিউর রহমান বকুল, আহমেদ হাসান, আক্তারুজ্জামান, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. মঈনুল ইসলাম ও হাফিজ আকবর হোসেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

Dec 04

goocle_adsence.JPG

গুগলের এ্যাডসেন্স ব্যবহারকারীদের জন্য অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ নিয়ে এলো একটি নতুন ফোরাম । শেয়ার ডট আইডিয়া টু ডেস নামের এ ফোরামে নিবন্ধিত হয়ে এ্যাডসেন্স শেয়ারিং অপশনে নিজের পি.ইউ.বি নাম্বার দিতে হবে। তাহলে এ ফোরামের তিনটি ইউনিটেই প্রদর্শিত হবে ব্যাবহারকারীর এ্যাড। ফলে তিনি নিজ ওয়েব সাইট ছাড়াও তাঁর এ্যাড প্রদর্শনের মাধ্যমে অতিরিক্ত আয় করার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশ থেকে এটাই প্রথম গুগলের বিজ্ঞাপন থেকে আয় ভাগাভাগির ফোরাম। এখানে যত বেশি লেখা পাঠানো যাবে, আয়ও তত বেশি হবার সম্ভাবনা থাকবে। সাইটের ঠিকানা: htp://share.ideatodays.comতথ্যসূত্র: দৈনক ইত্তেফাক

Dec 04

logitech-mouse.jpglogitech-easy-keyboard-de.jpg

 

 

 

 

কী-বোর্ড, মাউসে ওয়ারেন্টি থাকেনা। কাজের সময় কম্পিউটারের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এই ইনপুট ডিভাইস যখন তখন বিগড়ে যেতে পারে। গুনগত মান এবং এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা নিয়ে কম্পিউটার সোর্স নিয়ে এসেছে বিশ্বখ্যাত লজিট্যাক ব্র্যান্ডের কী-বোর্ড ও মাউস। স্টাইলিশ ও নির্ভরযোগ্য এই কী-বোর্ড এর সাথে স্পিল রেজিস্ট্যান্ট ডিজাইন। এর বাটনগুলো আরামদায়ক। দুঘর্টনাবশত কীবোর্ডের উপর কোন তরল পদার্থ পড়ে গেলেও আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। এর স্পিল রেজিস্ট্যান্ট প্রযুক্তি তরল পদার্থকে নীচের ছিদ্র দিয়ে বের করে দেয়। সুইস টেকনোলজী নিয়ে লজিট্যাক এর ইজি কীবোর্ড ডিলাক্স দেয় দীর্ঘদিন ব্যবহারের ও গুনগত মানের নিশ্চয়তা। লজিট্যাক অফিস হুইল মাউসে আছে ইজি স্ক্রল হুইল, আরামদায়ক বাটন। এটি হাতের মুঠোয় সহজেই এটে যাবে।

কম্পিউটার সোর্স লজিট্যাক ব্র্যান্ডের কীবোর্ড ও মাউসে দিচ্ছে ১ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা। কী-বোর্ডের মূল্য ৪৫০ টাকা এবং মাউসটির মূল্য ১৬০ টাকা মাত্র।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ:
৯১৪০১৫২, ৯১২৭৫৯২, ০১৭১৪১৬৪৭৪২
কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড

Nov 30

igf-logo.gifইন্টারনেট শাসন বা ইন্টারনেটের পরিচালন-পদ্ধতি কী হবে−এ নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইন্টারনেটের সব কার্যকলাপ মার্কিন সংস্থা আইকানের নিয়ন্ত্রণে। একক নিয়ন্ত্রণ ইন্টারনেটের সর্বজনীন ও সর্বগামী ব্যবহারের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে এমন আশঙ্কা থেকেই বিতর্ক। বিভিন্ন দেশ চাচ্ছে এর সর্বজনীন ব্যবহার নিশ্চিত করতে। তাই তো তিউনিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তথ্য সমাজ শীর্ষ সম্মেলনের চুড়ান্ত পর্বে গঠন করা হয় ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম।এ ফোরাম বিভিন্ন দেশ, বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে ইন্টারনেট শাসনের একটি সর্বজনীন নীতিমালার সুপারিশ করবে।সম্প্রতি ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হলো আইজিএফের দ্বিতীয় সভা। ২০০৩ সালের জেনেভা তথ্য সমাজ শীর্ষ সম্মেলনের অমীমাংসিত ‘ইন্টারনেট শাসন’ অর্থাং ইন্টারনেট গভর্নেন্স বিতর্ক ২০০৫ সালে তিউনিস শীর্ষ সম্মেলনে চুড়ান্ত রূপ নেয় ‘ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম’ বা আইজিএফ গঠনের মাধ্যমে। প্রকৃতপক্ষে, আইজিএফ ইন্টারনেট শাসনবিষয়ক রাষ্ট্রপুঞ্জের বিতর্ককে আরও বিস্তৃত করে। যদিও মনে করা হয়েছিল এর মাধ্যমে বিষয়টির আপাত মীমাংসা হলো ও ফোরাম ক্রমাগত আলোচনার মধ্যে দ্রুত এর সহজ সমাধানের পথ তৈরি করে দেবে। উল্টোদিকে আইজিএফের ম্যান্ডেট বা কার্যপরিধি কেবল গুরুত্ব দিয়েছে সুপারিশ প্রণয়নে, কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ভুমিকা ওখানে রাখা হয়নি।

আইজিএফ বিতর্ক কী নিয়ে?
আমরা জানি যে ইন্টারনেট পরিচালনায় প্রধান ভুমিকা হলো এর বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ই-মেইল বা ইন্টারনেট প্রটোকলের ঠিকানা। ইন্টারনেটের মৌলিক ব্যবহারে এই ঠিকানা কিনে নিতে হয়। তথ্যপ্রযুক্তির বর্তমান পর্যায়ে সংখ্যাবাচক (নিউমেরিক) ও ঘোষণাবাচক (এক্সপ্রেসিভ) ঠিকানার সমন্বয়কের মূল দায়িত্ব পালন করে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বাণিজ্যিক কোম্পানি− যার নাম ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইন্ড নেমস অ্যান্ড নাম্বারস বা ‘আইকান’। তথ্যপ্রযুক্তির ক্রমপ্রসার, উৎকর্ষ ও ইন্টারনেটের ইতিবাচক সুফল ব্যবহারে এই প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণের যাবতীয় ক্ষমতা এককভাবে কুক্ষিগত থাকবে, এটি অন্য দেশগুলো বা খোদ যুক্তরাষ্ট্রের অনেকে মানতে নারাজ। মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রবক্তা দেশের এই প্রতিষ্ঠান কিছুতেই তার এ ব্যবসা হারাতে রাজি নয়, আর তার পাশে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। বিশেষ করে দুরনিয়ন্ত্রণ মহাকাশব্যবস্থায় বাণিজ্যিক স্বার্থকে সমন্বয় করে মার্কিন অর্থনীতিতে ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ ব্যবসা যেখানে অন্যতম মুখ্য ভুমিকা পালন করছে, সেখানে এর ভুমিকা গঠন হয়ে পড়ুক তা যুক্তরাষ্ট্র সহজে চাইবে না।
নাম-ঠিকানা ও এর মহাকাশ-অবস্থানের মৌলিক এবং কারিগরি পরিধির নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও অন্যান্য বিতর্কের কারণগুলো হলো−এসবের ব্যবহারিক মূল্য নির্ধারণ, মূল্য নিয়ন্ত্রণ, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের বিপরীতে আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণে বা ঠিকানা তৈরি, সহজ অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা বজায় রাখা। সর্বোপরি ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনাকে সর্বজনগ্রাহ্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা কাঠামোতে নিয়ে যেতে সর্বাত্মক আপত্তি সৃষ্টি।

জাতিসংঘের ভুমিকা
তথ্য সমাজ শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম পর্যায়ের অমীমাংসিত বিতর্ককে চুড়ান্ত বিতর্কের সহজ সমাধান দেন তংকালীন মহাসচিব কফি আনান। তিনি সব দেশকে এই বিতর্কে ক্রমাগত অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিউনিস পর্বে। আইজিএফ গঠন করে তিনি ঐতিহাসিক এক পটভুমি তৈরি করে দেন জাতিসংঘের অন্যান্য সহায়ক শক্তিকে। যেমন−সুশীল সমাজ, ব্যবসায় সমাজ ও সংবাদমাধ্যমকে এই বিতর্কে অংশগ্রহণের সম্মিলিত মর্যাদা দেন, যাতে এই চারপক্ষ বিষয়টির খুঁটিনাটি পর্যালোচনা করে দেশগুলোকে আরও গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথনির্দেশ তৈরি করে দিতে পারে। উল্লেখ্য, তিউনিস ঘোষণাপত্র ও কর্মপরিকল্পনায়ও এ বিষয়টি যুক্ত হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের দপ্তর এই বিতর্ক সভার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করে।

আইজিএফ বিতর্কের প্রথম সভা
এথেন্স ২০০৬
গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে আইজিএফের প্রথম সভা ২০০৬ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় মূল আলোচনা ছিল এর কার্যপরিধি সুনিয়ন্ত্রণ ও বিষয়বস্তু (কনটেন্ট) নির্ধারণ নিয়ে। দুটি বিষয়ের সমাধান মেলে এথেন্স বিতর্কে। আইজিএফ তার অভ্যন্তরীণ মেরুকরণের ঝুঁকি এড়াতে বৃহত্তর পরিধিতে কাজ করবে, যাতে ফোরাম যথেষ্ট পরিমাণে সংগঠিত হয়ে বিকাশের পথ পায়। দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রগুলোর অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণে আইজিএফ বিতর্ক সভাগুলো আরও বেশিসুযোগ তৈরি করে দেবে, যার প্রতিফলন পরবর্তী সভাগুলোতে পাওয়া যাবে।

আইজিএফ বিতর্কের দ্বিতীয় সভা
রিও ডি জেনেরিও ২০০৭
ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনেরিওতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো আইজিএফের দ্বিতীয় সভা। প্রথম সভার কার্যপরিধির বিশ্লেষণ অনুযায়ী এবারের সভায় প্রায় ১০০টি কর্মশালা, সেমিনার ও সমান্তরাল অধিবেশনের আয়োজন করা হয়। দেশগুলো মূল পরিকল্পনা সভায় অপেক্ষা করেছে এর আগে অনুষ্ঠিত কর্মশালাগুলোর প্রতিবেদন পেতে। পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয়েছে সফল কিছু উদাহরণ নিয়ে এক প্রদর্শনী।

আইজিএফের বর্তমান বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু
রিও-তে অনুষ্ঠিত আইজিএফ সভায় ইন্টারনেট গভর্নেন্স বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু আবর্তিত হয়েছে ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে কী কী সম্পদ সম্পৃক্ত, সে সবের ওপর। আর এই সম্পদের ব্যবস্থাপনায় বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলো কী ধরনের অভিজ্ঞতা ও প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে, তা চিহ্নিত করা হয়েছে এ সভায়। চিহ্নিত বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে ইন্টারনেট শাসন পদ্ধতির বিদ্যমান ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা পরিমার্জনের সুপারিশপত্র তৈরি করা হয়েছে এবারের সভায়। ফলে অন্তত এই একটি জরুরি ক্ষেত্রে সর্বজনীন বাস্তবতার রূপরেখা পাওয়া গেছে। তা ছাড়া শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট জগং, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য ইন্টারনেটের সুশাসনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সুপারিশমালা তৈরি হয়েছে, যা ক্রমান্বয়ে একটি আন্তর্জাতিক সহনশীল সুশাসন পদ্ধতির দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে পারছে। ফলে সবার সুপারিশ কোনো একক কর্তৃত্বের বিপরীতে কতটা শক্তিশালী ভুমিকা রাখতে পারবে, তা-ই এখন এক নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এই বিতর্কে আইজিএফের প্রথম জয় ডট ট্রিপল এক্স (.xxx) ডোমেইন ঠিকানা বরাদ্দ থেকে আইকানকে বিরত রাখতে পারা।

বাংলাদেশ ও আইজিএফ
তথ্য সমাজ শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সর্বোচ্চ পর্যায়ের হয়ে থাকলেও এর কার্যকরী প্রভাব দেশের নানামুখী কর্মকান্ডে দেখা যায়নি। বাংলাদেশের কোনোভাবেই জাতিসংঘের মৌলিক বিতর্কের পরিধি থেকে নিজেকে দুরে সরিয়ে রাখা উচিত নয়। আন্তর্জাতিক বিতর্কে সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের মেধাচর্চার জন্য যেমন সহায়ক, তেমনি বৈশ্বিক ও সর্বজনীন সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সংহতি প্রকাশ, সমর্থন দান দেশের ভাবমূর্তিকে সমুজ্জ্বল করে। বিশেষ করে আইজিএফ বিতর্কে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ী সমাজের অংশগ্রহণ সরকারি খাতের জন্য সম্পুরক ভুমিকা পালন করতে পারে। আগামীতে আইজিএফ সভা দিল্লি ও কায়রোতে অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ২০০৮ ও ২০০৯ সালে। সরকার এখনই উদ্যোগী হলে বিশ্ব বিতর্কে বাংলাদেশ সক্রিয় থাকবে এবং তার প্রতিফলন অবশ্যই দেশে তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেখা যাবে।
তথ্যসূত্র:দৈনিক প্রথম আলো

Nov 30

biofuel-co2cycle.jpgপরিবেশ দুষণ রোধে এখন পশ্চিমা বিশ্বে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি বা সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো এসব জ্বালানির দাম প্রচলিত জ্বালানি যেমন তেল, কয়লা বা গ্যাসের চেয়ে বেশি পড়ে। সবুজ জ্বালানি উংপাদন খরচ কমিয়ে আনার জন্য সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। গুগলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিনিয়োগের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা পরিবেশবান্ধব উপায়ে অনেক বেশি বিদ্যুং উংপাদন করতে চাই।’ তিনি সবুজ প্রযুক্তিতে এক গিগাওয়াট বিদ্যুং উংপাদন করার কথা বলেন। এক গিগাওয়াট বিদ্যুংকেন্দ্র দিয়ে সানফ্রান্সিসকোর মতো একটি শহরের বিদ্যুং চাহিদা মেটানো যাবে। গুগল জানায়, তারা সৌরবিদ্যুং, বায়ুকল থেকে উংপাদিত বিদ্যুং ও জিওথার্মাল বিদ্যুংকেন্দ্র গড়তে বিনিয়োগ করবে। এ জন্য গুগল এ খাতে অভিজ্ঞ ২০ থেকে ৩০ জন প্রকৌশলীকে কাজে লাগাবে। গুগল আশা করছে, এসব বিদ্যুংকেন্দ্র থেকে উংপাদিত বিদ্যুতের দাম কয়লা থেকে উংপাদিত বিদ্যুতের চেয়ে কম পড়বে। গুগলের আরেক প্রতিষ্ঠাতা সার্গেই ব্রিন বলেন, ‘সস্তা সবুজ জ্বালানি পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অনেক স্থানে এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’ ল্যারি পেজ আশা করছেন কয়েক বছরের মধ্যেই সবুজ বিদ্যুতের উংপাদন শুরু হবে। আর এর প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের খরচ প্রচলিত বিদ্যুতের তুলনায় কম হবে। গুগলের জনসেবামূলক খাত গুগলডটঅরগের মাধ্যমে এ বিনিয়োগ করা হবে। গুগলডটঅরগ আগে থেকেই স্বাস্থ্যসেবা ও দারিদ্র্য নিয়ে কাজ করছে। সবুজ জ্বালানি নিয়ে তারা ইতিমধ্যেই ক্যালিফোর্নিয়ার ইসোলার ইনক ও মাকানি পাওয়ার ইনকের সঙ্গে কাজ করা শুরু করেছে। গুগলের প্রতিষ্ঠাতারা জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্টের সবুজ জ্বালানির কোম্পানি হওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই। তবে এ খাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশীদার তারা হতে পারে। গুগলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ব্রিন পাঁচ বছর আগে নিজের জন্য একটি হাইব্রিড গাড়ি কেনেন। তাঁর ও পেজের জন্য কেনা জেট বিমানটিকে নিয়ে এখন অস্বস্িথতে আছেন তাঁরা। কারণ নিজের গাড়ির পরিবেশ দুষণ রোধ করতে পারলেও নিজের বিমানের দুষণ কমাতে পারছেন না। ব্রিন বলেন, ‘আমরা জেট বিমানের জন্য জৈব ডিজেলের পরীক্ষামূলক ব্যবহারের কথা শুনেছি। প্রযুক্তি সব সমস্যার সমাধান দেবে বলে আমি আশা করছি।’

তথ্যসূত্র:দেনিক প্রথম আলো

Nov 30

asus-logo44.jpgসময়ের সাথে সাথে বিশ্বব্যাপী স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ পিসির জনপ্রিয়তা ক্রমশই বাড়ছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কম্পিউটার শিক্ষায় শিশুদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এই নোটবুক পিসি বা ল্যাপটপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আসুসটেক কোম্পানি এ ধরনের ল্যাপটপ তৈরি করে থাকে। তাইওয়ানের এই কম্পিউটার কোম্পানিটি আশা করছে আগামী বছরের মধ্যে সারা বিশ্বব্যাপী তারা ৫ মিলিয়ন নতুন ই-পিসি বিক্রি করতে সক্ষম হবে। কোম্পানিটির একজন সিনিয়র কর্মকর্তা সম্প্রতি এ কথা জানিয়েছেন। এর ফলে তাদের বিক্রি পূর্বের অবস্থান থেকে দুই তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পাবে। আসুসটেক সম্প্রতি শিশুদের জন্য একটি নতুন ধরনের ই-পিসি বাজারজাত করেছে। সাশ্রয়ী মূল্যের এই নোটবুক পিসির মাধ্যমে তারা তাদের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলতে চাইছে। উত্তর আমেরিকাতে তাদের এই পিসির গ্রহনযোগ্যতা দারুণভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। যেখানে তাদের মার্কেট শেয়ার ১ শতাংশ পিছিয়ে ছিল। নতুন ধরনের এই নোটবুক পিসি বা ল্যাপটপের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসুসটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন লিন সাংবাদিকদের জানান, প্রতিমাসে প্রায় ২০ হাজার ই-পিসি বিক্রি হচ্ছে। এ সময় লিন তার কোম্পানির নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কথা সবাইকে অবহিত করেন। নতুন এই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আসুসটেক ২০০৮ সালের ভেতর প্রায় ৩ লক্ষ্য ই-পিসি বিক্রি করবে। ই-পিসি আসুসটেক ব্র্যান্ডের নাম বহন করে। এক্ষেত্রে তারা প্রতিযোগিতা করছে এসার কোম্পানির সাথে। এজন্য বিশ্বব্যাপী তাদের ব্র্যান্ডকে আরো জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে তারা এই ল্যাপটপকে ডেভেলপ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানিটি আশা করছে, তাদের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালের ভেতরে তারা পৃথিবীর পঞ্চম বৃহং ল্যাপটপ পিসি তৈরিকারক কোম্পানিতে পরিণত হতে পারবে। আসুসটেকের শেয়ার ১.৮ শতাংশ থেকে তাইওয়ান ডলার ৯৮.৭০তে পড়ে গিয়েছিল। যা মূল টিএআইইএক্স শেয়ার ইনডেক্স এর ০.৬ শতাংশ। এই ব্র্যান্ডের ব্যবসায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাইওয়ানীজ কোম্পানিটি মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হবে এসার এবং ইলেক্ট্রনিক্স তৈরিকারক কোম্পানি হন হেই প্রেসিশন ইন্ডাষ্ট্রি কর্পোরেশনের কাছ থেকে। বিশেষ করে ম্যানুফ্যাকচারিং সাইডে। শুধুমাত্র নিজেদের ব্র্যান্ড নেম কম্পিউটারই নয়, আসুসটেক ল্যাপটপ তৈরি করে অ্যাপল এবং ডেল ইনকর্পোরেশনের জন্যও। উল্লেখ যে, এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে তাইওয়ান ডলারের মূল্য ৩২.৩।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

Nov 30

nanotechnology-480.jpgআশ্চর্যজনকভাবে ভূমিকা উলট-পালট হওয়ার কারণে ন্যানোটেকনোলজি বিজ্ঞানীরা বিপদের সম্ভাবনা দেখছেন সাধারণ মানুষের মাঝে। বিশেষভাবে তাদের কাজের কিছু কিছু অংশে। সম্প্রতি এরকম একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। ন্যানোটেকনোলজিকে বিজ্ঞানীরা পরিমাপ করে থাকেন মানুষের চুলের দশ হাজার ভাগের একভাগ হিসেবে। যা ভার্চুয়ালি প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে একশতের’ও বেশি ভোক্তা পণ্য সামগ্রীতে ইতিমধ্যে ন্যানো- ম্যাটারিয়েল স্থান করে নিয়েছে। এর অধিকাংশের ভেতরেই রয়েছে কসমেটিকস, সানস্ক্রীন এবং ক্লিনিং প্রোডাক্টস। যাতে আছে মাইক্রোসকপিক পার্টিকল। কিন্তু এটাই প্রথম পদক্ষেপ, যেখানে ন্যানো’র পৃষ্ঠপোষকরা বলেছেন এর বিবর্তন সম্পর্কে। যার প্রভাব তুলনা করা হচ্ছে টেকনোলজির ছোট্ট স্কেলের মাধ্যমে। ন্যানো ম্যাটারিয়েলগুলো অনেক হালকা ও শক্তিশালী অন্য যেকোন কিছুর চেয়ে। এর বিবর্তন ব্যবহৃত হচ্ছে অটো এবং উড়োজাহাজ ইন্ডাস্ট্রির জন্য। একই সাথে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রযুক্তির অন্যান্য ক্ষেত্র যেমন রোবটিক্স, কম্পিউটার, ক্লথিং, এনার্জি স্টোরেজ এবং এয়ার পিউরিফিকেশনে। সাম্প্রতিক সময়ে ৩৬৩ জন ন্যানোটেকনোলজি বিজ্ঞানী এবং ইঞ্জিনিয়ার যুক্তরাষ্ট্রের ১০১৫ জন প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের উপর দুইটি জরিপ চালান। গবেষকরা এখানে আবিষ্কার করেন, ন্যানো বাহুর সক্ষমতা বা গতি এবং প্রাইভেসি হারানোর কারণ হতে পারে। তারা বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছেন মেডিসিন, পরিবেশগত পরিচ্ছন্নতা এবং ন্যাশনাল ডিফেন্সে। একই সাথে তারা মনোযোগ দিয়েছেন সাধারণ মানুষের ঝুঁকির প্রতি। যা তৈরি হয়েছে ন্যানো টেকনোলজির কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে। গবেষকরা এখানে দুটি জিনিষ তুলে ধরতে চেয়েছেন। এক. ন্যানো সম্পর্কিত স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি এবং দুই. এই ক্ষেত্রে যথেষ্ট গবেষণা না হওয়া। একই সময়ে মিডিয়ায় যথাযথভাবে ব্যাপারটি উপস্থাপিত না হওয়া। গবেষকরা স্বাস্থ্যগত ব্যাপারে ন্যানো’র বিপদ সম্পর্কে যে কোন প্রভাব পর্যবেক্ষণ করছেন। যেমন ন্যানো রোবট যা দেশের ভেতরে অকেজো টিস্যুগুলো মেরামত করতে যুক্ত হতে পারে। ন্যানো ম্যাটারিয়েল নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে যে এটা স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য বিষাক্ত হতে পারে। ন্যানোটোকনোলজির একজন বিশেষজ্ঞ এবং ইলিয়নিস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির হ্যায়োটেকনোলজি ইনস্টিউট এবং হিউম্যান ফিউচার এর প্রধান নাইগেল ক্যামেরন বলেছেন, ন্যানো খুব ধীরে এবং নিয়মিতভাবে কাজ করে। সামাজিক এবং রাজনৈতিকভাবে ব্যাপরটি নিয়ে এখনই সচেতন হওয়া দরকার বলে আমরা মনে করি।
তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক